ব্যুরো নিউজ, ২৬ মে ২০২৬ঃ স্বর্ণ ব্যবসায়ী স্বপন কামিল্যার স্ত্রী মমতা কামিল্যা অবশেষে কিছুটা স্বস্তি পেলেন। মূল অভিযুক্ত, রাজগঞ্জের অপসারিত বিডিও প্রশান্ত বর্মনের গ্রেফতারির খবর শুনে তাঁর চোখে জল। তিনি বলেন, ‘আমি খুশি, খুব খুশি। আশা করছি এ বার ন্যায় বিচার পাব।’ তবে, প্রশান্ত বর্মনকে মত্ত অবস্থায় গাড়ি চালানোর অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছে, স্বপন কামিল্যা খুনের সঙ্গে এর সরাসরি যোগ নেই শুনে তিনি কিছুটা চিন্তিত।
মমতা কামিল্যা বলেন, ‘আমার আশা, নতুন রাজ্য সরকার ঠিক শাস্তি দেবে। তাঁকে ছাড়বে না।’ তাঁর স্পষ্ট বক্তব্য, ‘রাজ্য সরকারকে বলব, ওকে কোনও ভাবেই ছাড়বেন না। ফাঁসি দিন।’ গত বছরের ২৮ অক্টোবর স্বর্ণ ব্যবসায়ী স্বপন কামিল্যাকে অপহরণ করে খুনের অভিযোগ ওঠে প্রশান্ত বর্মনের বিরুদ্ধে। উত্তরবঙ্গে প্রশান্তর বাড়ি থেকে নগদ টাকা এবং সোনার গয়না চুরি গিয়েছিল।
প্রশান্তর দাবি, স্বপন সেই সব চুরির জিনিস কিনেছিলেন। তার পরেই তাঁকে অপহরণ করে নিউ টাউনের এবি ব্লকের ৬৭ নম্বর বাড়িতে নিয়ে গিয়ে ব্যাপক মারধর করার অভিযোগ ওঠে। ২৯ অক্টোবর বাগজোলা খালপাড়ের যাত্রাগাছি থেকে স্বপনের ক্ষতবিক্ষত দেহ উদ্ধার হয়।
স্বপনের স্ত্রী মমতা কামিল্যা বলেন, ‘প্রশান্তই খুন করেছেন। এতে আমাদের কোনও সন্দেহ নেই।’ শ্বশুর-শাশুড়ি আর দুই ছেলে-মেয়েকে নিয়ে সংসার তাঁর। স্বামীই ছিলেন একমাত্র রোজগেরে। এখন দুটি পয়সার জন্য লোকের বাড়িতে কাজ করতে হয়। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর কাছে তাঁর একটাই আর্জি, ‘ওই লোকটাকে ছাড়বেন না। যত কঠিন শাস্তি হয় দিন।’








