মুখ্যমন্ত্রীর বৈঠকে তৃণমূলের ৭ সাংসদ-বিধায়ক: নতুন রাজনৈতিক সংস্কৃতির সূচনা?

মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর প্রশাসনিক বৈঠকে তৃণমূলের ৭ সাংসদ-বিধায়কের উপস্থিতি রাজ্য-রাজনীতিতে নতুন জল্পনা উস্কে দিয়েছে। উন্নয়নের স্বার্থে এই অংশগ্রহণ কি নতুন সংস্কৃতির সূচনা?

Share:

ব্যুরো নিউজ, ২৬ মে ২০২৬ঃ পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে এক বিরল দৃশ্য দেখা গেল মঙ্গলবার, যখন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর প্রশাসনিক বৈঠকে শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেসের সাত জন সাংসদ-বিধায়ক উপস্থিত ছিলেন। নদিয়ার কল্যাণীর এপিজে আব্দুল কালাম প্রেক্ষাগৃহে আয়োজিত এই বৈঠকে উত্তর ২৪ পরগনা, নদিয়া ও হুগলি জেলার প্রশাসনিক আধিকারিকদের সঙ্গে আলোচনা করেন মুখ্যমন্ত্রী।

সরকারি সূত্রে জানা গিয়েছে, মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশেই বিরোধী দলের জনপ্রতিনিধিদের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। বারাসতের তৃণমূল সাংসদ কাকলি ঘোষদস্তিদার এবং উত্তর ২৪ পরগনার ৯ জন বিধায়কের মধ্যে ৬ জন এই বৈঠকে যোগ দেন। এই ঘটনা রাজ্য-রাজনীতিতে নতুন জল্পনা উস্কে দিলেও, অনেকে একে দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক সংস্কৃতির ইতিবাচক পরিবর্তন হিসেবে দেখছেন। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলেন, ‘আমরা চাই, কেন্দ্র-রাজ্য ডাবল ইঞ্জিনের সুযোগ পাক। সারা বছর কনস্ট্রাকটিভ আইডিয়া নিয়ে কাজ করি।’

কাকলি ঘোষদস্তিদার জানান, ‘প্রশাসন সকলের, এটা কোনও দলীয় বৈঠক নয়।’ তৃণমূলের বিধায়করাও উন্নয়নের স্বার্থে এই বৈঠকে যোগ দিয়েছেন বলে জানান। তবে দলের অনুমতি ছিল কিনা, তা নিয়ে প্রশ্ন ওঠায় তৃণমূল মুখপাত্র অরূপ চক্রবর্তী বলেন, ‘দলীয় অবস্থান এখনও স্পষ্ট নয়, তবে উন্নয়নের স্বার্থে বিধায়কদের অংশগ্রহণকে ইতিবাচকভাবে দেখা যেতে পারে। গণতন্ত্রে বিরোধীদের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ, দল বিষয়টি পর্যালোচনা করবে।’ মুখ্যমন্ত্রীর এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন মুখ্যসচিব মনোজকুমার আগরওয়াল।