ব্যুরো নিউজ, ২ জুন ২০২৬ঃ রাজ্যের অন্যতম জনমুখী প্রকল্প লক্ষ্মীর ভাণ্ডার নিয়ে ফের বড়সড় দুর্নীতির অভিযোগ প্রকাশ্যে এল। এবার নদিয়া জেলার একটি ব্লকেই ১৭৩ জন পুরুষের অ্যাকাউন্টে এই প্রকল্পের টাকা ঢোকার চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে। এই ঘটনায় রাজ্য জুড়ে ব্যাপক শোরগোল শুরু হয়েছে। প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, নদিয়ার কৃষ্ণনগর ২ নম্বর ব্লকে অন্তত ১৭৩ জন পুরুষ উপভোক্তা হিসেবে লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের টাকা পাচ্ছিলেন।
অভিযোগ, চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাস থেকেই তাঁদের অ্যাকাউন্টে এই টাকা ঢুকছিল। এই ভুয়ো প্রাপকদের চিহ্নিত করার পর কৃষ্ণনগর ২ নম্বর ব্লকের বিডিও জেলাশাসকের কাছে তাঁদের নাম তালিকা থেকে বাতিলের জন্য আবেদন জানিয়েছেন। এই ঘটনায় বিডিও অফিসের এক কর্মী ভোলা শীলকে শোকজ করা হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী ইতিমধ্যেই এই দুর্নীতি নিয়ে সরব হয়েছেন। তিনি জানিয়েছেন, “অনেক বড় রহস্য ফাঁস হয়েছে।
এখনও পর্যন্ত ২২টি ভুয়ো অ্যাকাউন্ট পাওয়া গিয়েছে, যেখান থেকে পুরুষরা লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের টাকা নিচ্ছেন। আরও অনেক সংখ্যক পাওয়া যাবে বলে অনুমান।” তিনি বহরমপুরের রাকিবুল শেখ, রঘুনাথগঞ্জের তারিকুর রহমান এবং মুস্তাফিজুর রহমানের মতো একাধিক নাম উল্লেখ করেছেন, যাদের একাধিক অ্যাকাউন্টে টাকা ঢুকছিল। এই গুরুতর অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে মুখ্যমন্ত্রী লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের ‘দুর্নীতি’ তদন্তে একটি বিশেষ তদন্তকারী দল (SIT) গঠনের নির্দেশ দিয়েছেন।
তিনি আরও বলেন, অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার চালু করার আগে কঠোর যাচাই প্রক্রিয়ার প্রয়োজনীয়তা রয়েছে, কারণ পূর্বতন সরকারে অনুপ্রবেশকারী এবং তৃণমূলের পুরুষ নেতারাই লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের টাকা লুট করছিল। এই ঘটনায় প্রশাসনের কড়া পদক্ষেপের অপেক্ষায় রাজ্যবাসী।







