ব্যুরো নিউজ, ৩ জুন ২০২৬ঃ ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের দামামা বাজার আগেই ফুটবলপ্রেমীদের মধ্যে শুরু হয়ে গেছে গোল্ডেন বুট নিয়ে জল্পনা। কে হবেন এবারের সর্বোচ্চ গোলদাতা? এই প্রশ্ন ঘিরে ফুটবল দুনিয়ায় চলছে জোর আলোচনা। গত বিশ্বকাপের গোল্ডেন বুট জয়ী কিলিয়ান এমবাপে এবারও অন্যতম প্রধান দাবিদার। তাঁর দুর্দান্ত ফর্ম এবং ফ্রান্স দলের গভীরতা তাঁকে বাড়তি সুবিধা দেবে।
তবে ইতিহাস বলছে, শুধু ব্যক্তিগত নৈপুণ্যই যথেষ্ট নয়, দলের টুর্নামেন্টে দীর্ঘ পথ চলাও গোল্ডেন বুট জয়ের অন্যতম শর্ত। লিওনেল মেসি ও ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোর মতো কিংবদন্তিদের জন্য বয়স একটি বড় ফ্যাক্টর হতে পারে, কারণ বিশ্বকাপের গোল্ডেন বুট জয়ীদের গড় বয়স সাধারণত কম। হ্যারি কেন তাঁর ক্লাব মরসুমে নজরকাড়া পারফরম্যান্স দেখিয়েছেন, তাই ইংল্যান্ড যদি শেষ চারে পৌঁছয়, তিনিও শক্তিশালী দাবিদার।
নরওয়ের আর্লিং হালান্ড বাছাইপর্বে গোল বন্যায় ভাসিয়েছেন, কিন্তু তাঁর দলের টুর্নামেন্টে টিকে থাকাটা গুরুত্বপূর্ণ। ভিনিসিয়াস জুনিয়র, লামিন ইয়ামাল এবং মাইকেল ওলিসের মতো তরুণ প্রতিভারা বয়সের সুবিধা পাবেন। ইয়ামাল বিশ্বকাপের ফাইনালের ঠিক আগে ১৯ বছরে পা দেবেন, যা তাঁকে সর্বকনিষ্ঠ গোল্ডেন বুট জয়ীর রেকর্ডের দিকে ঠেলে দিতে পারে। অ্যাসিস্টের গুরুত্বও অনস্বীকার্য, যা ২০১০ সালে থমাস মুলারকে গোল্ডেন বুট এনে দিয়েছিল।
এছাড়াও, লাউতারো মার্তিনেজ, জুলিয়ান আলভারেজ, উসমান ডেম্বেলে এবং রোমেলু লুকাকুর মতো খেলোয়াড়রাও চমক দেখাতে পারেন। স্পেনের মিকেল ওইয়ারসাবাল বা সুইডেনের আলেকজান্ডার ইসাকও কালো ঘোড়া হিসেবে উঠে আসতে পারেন। সব মিলিয়ে, ২০২৬ বিশ্বকাপের গোল্ডেন বুটের লড়াই এক রোমাঞ্চকর অধ্যায়ের সাক্ষী হতে চলেছে।








