ব্যুরো নিউজ, ৭ জুন ২০২৬ঃ পশ্চিমবঙ্গের স্কুল শিক্ষা দফতর স্থায়ী সরকারি ও সরকার-পোষিত স্কুলের শিক্ষকদের প্রাইভেট টিউশন বা গৃহশিক্ষকতা বন্ধ করার জন্য অত্যন্ত কড়া নির্দেশিকা জারি করেছে। নিয়ম অমান্য করে কোনো শিক্ষক টিউশন পড়ালে তাঁর বিরুদ্ধে কঠোর প্রশাসনিক ও শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে সরকারের তরফ থেকে স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়েছে।
জাতীয় শিক্ষার অধিকার আইন (RTE Act, 2009)-এর ধারা ও নির্দেশিকা মেনে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
এই বিষয়ে মূল খুঁটিনাটি তথ্য নিচে আলোচনা করা হলো:
সরকারের কড়া নির্দেশিকা ও শাস্তির বিধানসম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা: কোনও সরকারি বা আধা-সরকারি স্কুলের কর্মরত শিক্ষক নিজের স্কুলের বা অন্য কোনও বিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীদের টাকার বিনিময়ে ব্যক্তিগত টিউশন বা কোচিং সেন্টারে পড়াতে পারবেন না।
আইনি ভিত্তি: ২০০৯ সালের জাতীয় শিক্ষার অধিকার আইনের (RTE) ২৮ নম্বর ধারা অনুযায়ী সরকারি শিক্ষকদের গৃহশিক্ষকতা করা আইনত সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।
কঠোর তদন্ত: কোনো শিক্ষকের বিরুদ্ধে টিউশন পড়ানোর অভিযোগ প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্ট জেলা স্কুল পরিদর্শক (DI) এবং শিক্ষা দফতর যৌথভাবে তদন্ত করে কড়া শাস্তিমূলক পদক্ষেপ নেবে।
নজরদারির কারণ: দীর্ঘদিন ধরে অভিযোগ উঠছিল যে কিছু শিক্ষক স্কুলে ঠিকমতো না পড়িয়ে গৃহশিক্ষকতায় জোর দিচ্ছিলেন এবং টিউশন না পড়লে পরীক্ষায় কম নম্বর দেওয়ার মতো চাপ সৃষ্টি করছিলেন।
এছাড়া জাতীয় মানবাধিকার কমিশন (NHRC)-এর থেকেও এই বিষয়ে রাজ্য সরকারের কাছে বিশেষ বিজ্ঞপ্তি এসেছিল।এই নির্দেশের ফলে একদিকে যেমন সরকারি স্কুলগুলির পঠন-পাঠনের মান উন্নত হবে, অন্যদিকে শিক্ষিত বেকার যুবকদের গৃহশিক্ষকতার মাধ্যমে উপার্জনের সুযোগ আরও সুরক্ষিত হবে বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।








