ব্যুরো নিউজ, ১১ জুন ২০২৬ : পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার বিরোধী দলনেতা পদ নিয়ে রাজনৈতিক ও আইনি লড়াই চরমে উঠেছে। দল থেকে বহিষ্কৃত এক বিধায়ককে এই পদে বসানো নিয়ে প্রশ্ন তুলে কলকাতা হাইকোর্টে স্পিকারের সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ জানিয়েছেন তৃণমূল বিধায়ক শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর দাবি, এই সিদ্ধান্ত বিধানসভার প্রচলিত রীতি ও আইনি কাঠামোর পরিপন্থী।
বৃহস্পতিবার বিচারপতি কৃষ্ণ রাওয়ের এজলাসে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় সওয়াল করেন, দল থেকে বহিষ্কৃত ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে কীভাবে বিরোধী দলনেতা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হল? তিনি আরও বলেন, স্পিকারের সিদ্ধান্ত ঘোষণার দিন পর্যন্ত শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ই বিরোধী দলনেতার দায়িত্ব পালন করছিলেন। মুখ্যমন্ত্রী ও অন্যান্যদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময়েও তিনি সেই ভূমিকাতেই ছিলেন। হঠাৎ কোন যুক্তিতে ঋতব্রতকে এই পদে বসানো হল, তা স্পষ্ট নয়।
বিচারপতি রাও জানতে চান, দল বহিষ্কার করলে সেই ব্যক্তি কীভাবে বিরোধী দলনেতা হতে পারেন? স্পিকারের তরফে কেন কোনও পৃথক বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়নি, সেই প্রশ্নও তোলেন তিনি। রাজ্যের তরফে অতিরিক্ত অ্যাডভোকেট জেনারেল সময় চেয়ে হলফনামা দাখিলের আবেদন জানান, যা আদালত মঞ্জুর করেছে। মামলার পরবর্তী শুনানি আগামী ১৬ জুন। এই বিতর্কিত সিদ্ধান্ত কতটা বিধিসম্মত, তা আদালতের পর্যবেক্ষণের উপরই নির্ভর করছে।








