ব্যুরো নিউজ, ১৩ আগস্ট ২০২৬: তৃণমূলের প্রাক্তন বিধায়ক নির্মল ঘোষকে (Nirmal Ghosh) গ্রেফতার করা হয়েছে। আরজি কর কাণ্ডে (RG Kar Case) তথ্যপ্রমাণ লোপাটের অভিযোগে তাঁর বিরুদ্ধে নতুন এফআইআর দায়ের হওয়ার পরই এই পদক্ষেপ। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari) নির্দেশে এই এফআইআর হয়েছিল। পানিহাটির প্রাক্তন বিধায়ক নির্মল ঘোষ সহ আরও তিনজনের বিরুদ্ধে তথ্যপ্রমাণ লোপাটের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে।
গত রবিবার চিকিৎসক-পড়ুয়ার দ্বিতীয় মৃত্যুবার্ষিকীতে মুখ্যমন্ত্রী পৃথক একটি এফআইআর দায়ের করে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছিলেন। সোমবার ব্যারাকপুর পুলিশ কমিশনারেটে নির্যাতিতার বাবা নতুন করে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। এই এফআইআরে অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র এবং তথ্যপ্রমাণ লোপাট করার মতো একাধিক অভিযোগ আনা হয়। মুখ্যমন্ত্রী অভিযোগ করেছিলেন যে, ঘোলা থানার অন্তর্গত নাটাগড় কদমতলা শ্মশানে নির্যাতিতার দাহকার্য প্রক্রিয়ায় বেআইনি কাজ করা হয়েছিল। তিনি জানান, দাহকার্যের সিরিয়াল ৩ নম্বরে থাকলেও রাতারাতি তা বদলে ১ নম্বর করে তড়িঘড়ি সৎকার করা হয়। শ্মশানের নির্ধারিত খরচ পরিবারের লোক দেয়নি, এমনকি মৃতার পরিবারের কোনও নিকটাত্মীয়ের বাধ্যতামূলক স্বাক্ষরও নেওয়া হয়নি।
আরজি কর কাণ্ডের পর শ্মশানে গিয়ে তথ্য লোপাটের ঘটনায় নির্মল ছাড়াও সোমনাথ দে এবং সঞ্জীব মুখোপাধ্যায় নামে দুই ব্যক্তির ভূমিকা সন্দেহজনক বলে দাবি ওঠে। ঘটনার দিন তড়িঘড়ি কেন দেহ দাহ করা হল, সেই প্রশ্নকে সামনে রেখে খোদ মুখ্যমন্ত্রী এই কথা বলেন। তারপরই তাঁদের নাম-সহ একাধিক ব্যক্তির বিরুদ্ধে এফআইআর রুজু করা হয়। উল্লেখ্য, গত ১৩ জুলাই নির্মল ঘোষের ছেলে তীর্থঙ্কর ঘোষ ভোট পরবর্তী হিংসা মামলায় গ্রেফতার হয়েছিলেন।






