চিটফান্ড প্রসঙ্গ টেনে সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়কে মহুয়ার তীব্র আক্রমণ: মনে করালেন পুরনো কারাবাসের কথা

মহুয়া মৈত্রর তীব্র আক্রমণ সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়কে। চিটফান্ড কেলেঙ্কারিতে তাঁর পুরনো গ্রেপ্তারির প্রসঙ্গ টেনে খোঁচা দিলেন কৃষ্ণনগরের সাংসদ।

Share:

ব্যুরো নিউজ, ১৫ জুন ২০২৬ঃ তৃণমূল কংগ্রেসে অভ্যন্তরীণ কোন্দল এখন প্রকাশ্যে। এই আবহে দলের বর্ষীয়ান সাংসদ সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়কে সোশ্যাল মিডিয়ায় তীব্র আক্রমণ শানালেন কৃষ্ণনগরের সাংসদ মহুয়া মৈত্র। চিটফান্ড কেলেঙ্কারিতে সুদীপের পুরনো গ্রেপ্তারির প্রসঙ্গ টেনে এনে মহুয়া কটাক্ষ করেন যে, কারাবাস এড়াতে তিনি অসুস্থতার ‘ভান’ করেছিলেন। মহুয়ার খোঁচা, “এবার অসুস্থ হয়ে দিল্লির হাসপাতাল থেকে বেরিয়ে গদ্দারি করতে গেলেন!”

এই নজিরবিহীন আক্রমণে রাজ্য রাজনীতিতে নতুন করে শোরগোল শুরু হয়েছে। ২০১৭ সালে রোজভ্যালি চিটফান্ড সংস্থার আর্থিক কেলেঙ্কারিতে যুক্ত থাকার অভিযোগে ইডির হাতে গ্রেপ্তার হয়েছিলেন সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁকে ওড়িশা নিয়ে যাওয়া হয় এবং ভুবনেশ্বরের কারাগারে রাখা হয়। বিচারপর্ব চলাকালীন সুদীপ গুরুতর অসুস্থ হয়ে বেশিরভাগ সময় হাসপাতালেই কাটিয়েছিলেন। সেই সময় তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও তাঁকে দেখতে হাসপাতালে গিয়েছিলেন। পরে অবশ্য এই মামলায় জামিনে মুক্ত হন সুদীপ। মহুয়া মৈত্রর এই আক্রমণ দলের অন্দরে ‘বেসুরো’দের নিয়ে চলা বিতর্কেরই অংশ বলে মনে করা হচ্ছে।

সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়ের সাম্প্রতিক কিছু মন্তব্যের পর থেকেই তাঁকে ‘বেসুরো’ শিবিরে ফেলা হচ্ছে। মহুয়ার এই মন্তব্যের পর সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় বা ‘বেসুরো’ শিবির থেকে এখনও কোনও প্রতিক্রিয়া মেলেনি। তবে এই ঘটনা তৃণমূলের অন্দরের ফাটল আরও স্পষ্ট করে দিল। রাজনৈতিক মহলের মতে, লোকসভা নির্বাচনের আগে দলের এই কোন্দল অস্বস্তি বাড়াচ্ছে।