দিল্লিতে নাশকতার ছক, মুখ্যমন্ত্রীও টার্গেট! হামিম মণ্ডলকে নিয়ে চাঞ্চল্যকর তথ্য STF-এর

দিল্লির যন্তর মন্তরে নাশকতার ছক, মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীও টার্গেট! হামিম মণ্ডলকে নিয়ে বিস্ফোরক তথ্য দিল STF। পাকিস্তানি হ্যান্ডলার ও হানিট্র্যাপের যোগসূত্র খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

Share:

ব্যুরো নিউজ, ১ আগস্ট ২০২৬ঃ দিল্লির যন্তর মন্তরে পুলিশের পোশাকে নাশকতার ছক কষছিল ধৃত হামিম মণ্ডল। শুধু তাই নয়, মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী সহ হাওড়ার এক মন্ত্রীকেও টার্গেট করা হয়েছিল বলে চাঞ্চল্যকর তথ্য জানাল বেঙ্গল এসটিএফ। শুক্রবার বর্ধমান থেকে ২৪ বছর বয়সী হামিম মণ্ডলকে গ্রেফতার করার পর শনিবার সাংবাদিক বৈঠকে এই বিস্ফোরক তথ্য দেন এসটিএফের আইজি গৌরব শর্মা। এসটিএফ সূত্রে খবর, হামিমের মোবাইল ফোন ও বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়া চ্যাট ঘেঁটে ভয়ঙ্কর কিছু তথ্য পাওয়া গিয়েছে। পাকিস্তানের বেশ কয়েকজন হ্যান্ডলারের সঙ্গে হামিমের নিয়মিত যোগাযোগ ছিল। মাদক সন্ত্রাসের সঙ্গে যুক্ত শাহজাহাদ ভাট্টির গ্যাংয়ের সদস্য তারা।

হোয়াটসঅ্যাপ, টেলিগ্রাম সহ এনক্রিপ্টেড চ্যাটের মাধ্যমে এই যোগাযোগ বজায় রাখা হতো। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর গতিবিধি রেকর্ড করা হয়েছিল এবং তাঁকেও হামলার টার্গেট করা হয়েছিল বলে দাবি করেছে এসটিএফ। একইসঙ্গে, যন্তর মন্তরে পড়ুয়াদের প্রতিবাদ আন্দোলনের সুযোগ নিয়ে পুলিশের পোশাকে নাশকতার পরিকল্পনা ছিল। এই চক্রটি যুব সম্প্রদায়কে উগ্র মৌলবাদী ভাবনায় উদ্বুদ্ধ করা, অস্ত্র পাচার ও নাশকতার পরিকল্পনা সহ নানা অপরাধে জড়িত। ‘হানি ট্র্যাপ’-এর মাধ্যমে প্রভাবশালী ব্যক্তিদের ফাঁসানোর কাজে অর্পিতা সরকারকে ব্যবহার করা হতো কিনা, তা খতিয়ে দেখছে এসটিএফ। হামিমের বান্ধবী অর্পিতাকে শনিবার সকালে গ্রেফতার করা হয়েছে। গত চার বছর ধরে হামিমের সঙ্গে অর্পিতার যোগাযোগ ছিল বলে জানা গেছে। ইনস্টাগ্রামে তাদের আলাপ হয় এবং পরে সম্পর্ক তৈরি হয়।