ঐতিহাসিক শতবর্ষের কমনওয়েলথ গেমস ২০৩০-এর আয়োজক আমদাবাদ! গ্লাসগোতে হল দায়িত্ব হস্তান্তর

২০৩০ কমনওয়েলথ গেমসের আয়োজক হল ভারতের আমদাবাদ। গ্লাসগোতে শতবর্ষের এই ঐতিহাসিক ক্রীড়াযজ্ঞের ব্যাটন হস্তান্তর সম্পন্ন হল, দেখা গেল ভারতীয় সংস্কৃতির ঝলক।

Share:

ব্যুরো নিউজ, ১ আগস্ট ২০২৬ঃ  গ্লাসগোতে এক ঐতিহাসিক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে ২০৩০ কমনওয়েলথ গেমসের আনুষ্ঠানিক কাউন্টডাউন শুরু হল। শতবর্ষের এই মেগা ইভেন্টের আয়োজক শহর হিসেবে ভারতের আমদাবাদের নাম ঘোষণা করা হয়েছে। রবিবার গ্লাসগো কমনওয়েলথ গেমসের সমাপনী অনুষ্ঠানে আনুষ্ঠানিকভাবে অফিশিয়াল হোস্ট ব্যাটন এবং কমনওয়েলথ গেমসের পতাকা আমদাবাদের হাতে তুলে দেওয়া হয়। এর মধ্য দিয়েই ২০৩০ কমনওয়েলথ গেমসের আয়োজক শহর হিসেবে আমদাবাদের যাত্রা শুরু হল।

১৯৩০ সালে কানাডার হ্যামিল্টনে এই আন্তর্জাতিক ক্রীড়াযজ্ঞের পথচলা শুরু হয়েছিল। ফলে ২০৩০ সালের আসরটি কমনওয়েলথ গেমসের ১০০ বছর পূর্তির এক অনন্য মাইলফলক হতে চলেছে। এই ঐতিহাসিক মুহূর্তের সাক্ষী হতে গুজরাতের উপ-মুখ্যমন্ত্রী হর্ষ সঙ্ঘবী গ্লাসগোতে উপস্থিত ছিলেন। গ্লাসগোর সমাপনী অনুষ্ঠানে বিশ্ববাসী ২০৩০ আমদাবাদের কমনওয়েলথ গেমসের প্রথম ঝলক দেখতে পেল। ভারতীয় সংস্কৃতি ও গুজরাতের ঐতিহ্য ফুটিয়ে তুলতে একটি বিশেষ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল।

তিনটি পর্বে সাজানো এই অনুষ্ঠানে ভারতের জাতীয় গান ‘বন্দে মাতরম্’-এর ১৫০ বছর পূর্তি উদযাপন করা হয়। এছাড়াও, সেতার বাদক ঋষভ ঋখিরাম শর্মা এবং স্কটিশ পাইপার রস এইনসলির যুগলবন্দি দুই দেশকে সুরের সুতোয় বাঁধে। শেষ পর্বে ভারতের বৈচিত্র্যময় সংস্কৃতি ও গুজরাতের নিজস্ব ঐতিহ্য তুলে ধরা হয়। কমনওয়েলথ গেমসের ঐতিহ্যবাহী ‘কিং’স ব্যাটন রিলে’ এবার আরও বিশেষ হয়ে উঠেছে। এই প্রথম কমনওয়েলথের ৭৪টি সদস্য দেশ ও ভূখণ্ডের জন্য আলাদা আলাদা ব্যাটন তৈরি করা হয়েছে। প্রতিটি দেশ নিজেদের সংস্কৃতি, ঐতিহ্য ও পরিচয় তুলে ধরে সেই ব্যাটন সাজিয়ে তুলতে পারবে। এই অনুষ্ঠানের মাধ্যমে বিশ্বমঞ্চে এক নতুন ভারত উঠে আসবে, যা নিজস্ব ঐতিহ্য ও সংস্কৃতিতে সমৃদ্ধ এবং সারা বিশ্বকে ২০৩০ সালে স্বাগত জানাতে পুরোপুরি প্রস্তুত।