ব্যুরো নিউজ, ২৩ আগস্ট ২০২৬: ডুরান্ড কাপ ফাইনালের মহারণে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী মোহনবাগানকে কার্যত উড়িয়ে দিয়ে প্রথমার্ধেই ৩-০ গোলে এগিয়ে গেল ইস্টবেঙ্গল। ২৩শে আগস্ট, রবিবার যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে লক্ষাধিক দর্শকের সামনে লাল-হলুদ ব্রিগেড তাদের শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণ করে চলেছে। এই ঐতিহাসিক ডার্বি ঘিরে কলকাতা তথা গোটা দেশের ফুটবলপ্রেমীদের মধ্যে যে উন্মাদনা ছিল, তা যেন ইস্টবেঙ্গলের এই দাপুটে পারফরম্যান্সে আরও কয়েকগুণ বেড়ে গেল। কলকাতার এই ফুটবল ডার্বি শুধু একটি খেলা নয়, এটি বাঙাল-ঘটির এক আবেগঘন দ্বৈরথ।
বছরের পর বছর ধরে এই দুই প্রধানের লড়াই ভারতীয় ফুটবলের এক অবিচ্ছেদ্য অংশ। ডুরান্ড ফাইনালের মতো বড় মঞ্চে তাদের মুখোমুখি হওয়া যেন সেই উন্মাদনাকে এক অন্য মাত্রায় পৌঁছে দিয়েছে। মাঠের গ্যালারি কানায় কানায় পূর্ণ, লাল-হলুদ ও সবুজ-মেরুন পতাকায় মুখরিত স্টেডিয়াম। ম্যাচের শুরু থেকেই ইস্টবেঙ্গল আক্রমণাত্মক মেজাজে ছিল। মোহনবাগান রক্ষণকে নাজেহাল করে একের পর এক আক্রমণ শানাতে থাকে তারা। খেলার নির্দিষ্ট সময়েই পরপর তিনটি গোল করে লাল-হলুদ সমর্থকরা উল্লাসে ফেটে পড়েন। এই গোলগুলি শুধু স্কোরবোর্ডেই নয়, মোহনবাগানের মনোবলকেও বড় ধাক্কা দিয়েছে।
এখনও পর্যন্ত সবুজ-মেরুন ব্রিগেড সেভাবে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে পারেনি, যা তাদের সমর্থকদের হতাশ করেছে। এই বিশাল ব্যবধানে এগিয়ে থাকার ফলে ডুরান্ড কাপ জয়ের স্বপ্ন ইস্টবেঙ্গলের কাছে আরও উজ্জ্বল হয়ে উঠেছে। দীর্ঘদিনের ট্রফি খরা কাটানোর পথে এটি এক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। দ্বিতীয়ার্ধে মোহনবাগান ঘুরে দাঁড়াতে পারে কিনা, সেটাই এখন দেখার। তবে বর্তমান পরিস্থিতি অনুযায়ী, ট্রফি জয়ের পাল্লা ইস্টবেঙ্গলের দিকেই ভারী। এই জয় শুধু একটি ম্যাচ জয় নয়, এটি লাল-হলুদ সমর্থকদের কাছে এক নতুন আশার বার্তা।








