ব্যুরো নিউজ, ২৯ আগস্ট ২০২৬: শনিবার। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী এদিন বীরভূমের তারাপীঠ মন্দিরে পুজো দিলেন। কৌশিকী অমাবস্যার আগে মুখ্যমন্ত্রীর এই পুজো বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। সকাল থেকেই তারাপীঠ মন্দির চত্বরে ছিল সাজ সাজ রব। নিরাপত্তার কড়া ঘেরাটোপের মধ্যেই মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী মাথায় ডালা নিয়ে মন্দিরের গর্ভগৃহে প্রবেশ করেন। সেখানে তিনি নিষ্ঠা সহকারে মা তারার পুজো দেন।
লাল বেনারসি, পদ্ম ও অপরাজিতার মালা দিয়ে মা তারাকে সাজিয়ে মন্ত্রোচ্চারণের মাধ্যমে পুষ্পাঞ্জলি অর্পণ করেন তিনি। এরপর ভক্তিভরে মা তারার আরতিও করতে দেখা যায় মুখ্যমন্ত্রীকে। পুজো শেষে আশীর্বাদ গ্রহণ করে গর্ভগৃহ থেকে বেরিয়ে আসেন শুভেন্দু অধিকারী। পুজো দেওয়ার পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “মা তারা, রবি ঠাকুর, ঐতিহ্য-সংস্কৃতির বীরভূম গড়ে তুলব।” তাঁর এই মন্তব্যে বীরভূমের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের প্রতি তাঁর গভীর শ্রদ্ধার প্রতিফলন দেখা যায়। একইসঙ্গে, তিনি বীরভূম থেকে পূর্ববর্তী সরকারের বিরুদ্ধেও পরোক্ষভাবে কটাক্ষ করেন, যা রাজনৈতিক মহলে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে একাধিক মন্দিরে পুজো দিতে দেখা গেছে শুভেন্দু অধিকারীকে। সেই ধারা বজায় রেখেই এবার তিনি শক্তিপীঠ তারাপীঠে মা তারার চরণে শ্রদ্ধা নিবেদন করলেন।
এদিন মন্দির চত্বরে মুখ্যমন্ত্রীকে দেখতে ভক্তদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ দেখা যায়। সকাল থেকেই বহু ভক্ত মন্দিরে ভিড় করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রীর এক ঝলক দেখার জন্য। অনেকেই তাঁর সঙ্গে সেলফি তোলার জন্য ভিড় জমান। শুভেন্দু অধিকারী জানান, আসন্ন কৌশিকী অমাবস্যা উপলক্ষে তারাপীঠ মন্দিরে ভক্তদের সুবিধার জন্য সবরকম প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এই ভিজিটটি রাজ্যের ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের প্রতি তাঁর প্রতিশ্রুতির অংশ হিসেবে এবং জনসাধারণের সঙ্গে তাঁর সংযোগ স্থাপনের একটি প্রচেষ্টা হিসেবে দেখা হচ্ছে।








