ব্যুরো নিউজ , ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬: প্রায় দেড় বছর ধরে ভারতে রাজনৈতিক আশ্রয়ে রয়েছেন বাংলাদেশের ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সে দেশে গণহত্যার দায়ে ‘বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল’ তাঁকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে। এই পরিস্থিতিতে হাসিনার প্রত্যর্পণের জন্য বারবার অনুরোধ জানাচ্ছে ঢাকা, যা নিয়ে দুই দেশের মধ্যে এক চাপা টানাপোড়েন চলছে। এই বিতর্কের মাঝেই এবার মুখ খুললেন খোদ শেখ হাসিনা। একইসঙ্গে বাংলাদেশের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকেও তীব্র আক্রমণ শানালেন তিনি।
সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমে দেওয়া একটি সাক্ষাৎকারে শেখ হাসিনা স্পষ্ট জানিয়েছেন, “আমি আমার নিজের দেশে ফিরতে চাই। আমি ফিরবই। ডিসেম্বরের মধ্যেই আমার ফিরে যাওয়ার ইচ্ছা। কারণ, বাংলাদেশের রাজনৈতিক সংকটকে অনির্দিষ্টকাল ধরে চলতে দেওয়া যায় না।” তিনি আরও বলেন, তাঁর দেশে ফেরা ক্ষমতার জন্য নয়, বরং জনগণের পাশে দাঁড়ানোর বিষয়। “আমি কি সারা জীবন বিদেশে পড়ে থাকতে পারি? আমাকে আমার দেশে, আমার আপনজনদের কাছে ফিরে যেতেই হবে,” দৃঢ় কণ্ঠে বলেন হাসিনা। তাঁর এই মন্তব্য ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কে নতুন মাত্রা যোগ করেছে এবং বাংলাদেশের রাজনৈতিক মহলে নতুন করে জল্পনা তৈরি হয়েছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, হাসিনার এই ঘোষণা বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে নতুন মেরুকরণ ঘটাতে পারে।
বিশেষত, যখন তাঁর বিরুদ্ধে গণহত্যার মতো গুরুতর অভিযোগ রয়েছে এবং দেশের সর্বোচ্চ আদালত তাঁকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে, তখন তাঁর দেশে ফেরার সংকল্প যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ। তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকারের প্রতি তাঁর এই তোপ, দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্কেও প্রভাব ফেলতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। সেপ্টেম্বর মাসের ২ তারিখে প্রকাশিত এই সংবাদে আরও বলা হয়েছে, হাসিনার এই প্রত্যর্পণ বিতর্ক আগামী দিনে ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ককে কোন দিকে নিয়ে যায়, সেদিকেই এখন সবার নজর।








