কালীঘাটমুখী রথীন ঘোষও! “মমতার সঙ্গেই ছিলাম, ঋত-তৃণমূল বলে কিছু নেই”, বললেন বিধায়ক

মধ্যমগ্রামের বিধায়ক রথীন ঘোষ স্পষ্ট করলেন যে তিনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গেই ছিলেন। ঋত-তৃণমূল বলে কোনও শিবির নেই, জানালেন তিনি।

Share:

ব্যুরো নিউজ, ৮ অক্টোবর ২০২৬: মধ্যমগ্রামের বিধায়ক রথীন ঘোষ স্পষ্ট করে দিলেন যে তিনি বরাবরই তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গেই ছিলেন। সম্প্রতি তিনি জানান, ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে গঠিত ‘ঋত-তৃণমূল’ বলে কোনও পৃথক শিবিরের অস্তিত্ব নেই।

৪ঠা মে রাজ্যে ক্ষমতা পরিবর্তনের পর তৃণমূল কংগ্রেসে ভাঙন দেখা যায় এবং ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে ৬৫ জন জন নির্বাচিত প্রতিনিধিকে নিয়ে একটি বিদ্রোহী শিবির তৈরি হয়। এই বিধায়কদের সমর্থন নিয়েই বিধানসভায় বিরোধী দলনেতা নির্বাচিত হয়েছিলেন ঋতব্রত। রথীন ঘোষও এই বিদ্রোহী বিধায়কদের তালিকাতেই ছিলেন, যা রাজনৈতিক মহলে যথেষ্ট আলোচনার জন্ম দিয়েছিল।

তবে, সম্প্রতি প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বারবার ‘বিদ্রোহী’ বিধায়কদের ‘ঘরে ফেরা’র আহ্বান জানিয়েছেন এবং দলের ঐক্য বজায় রাখার বার্তা দিয়েছেন। তাঁর এই আহ্বানে সাড়া দিয়ে কয়েকদিন আগেই ঋত শিবির ছেড়ে কালীঘাট শিবিরে ফিরে আসেন আমডাঙার বিধায়ক কাশেম সিদ্দিকী। তিনি সেসময় জানিয়েছিলেন যে তিনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গেই রয়েছেন এবং তাঁর প্রতিই তাঁর আনুগত্য।

এবার সেই পথেই হাঁটলেন রথীন ঘোষ। তিনি জোর দিয়ে বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দেওয়া টিকিটেই তিনি বিধানসভা নির্বাচনে জয়লাভ করেছেন, তাই তাঁকে ছেড়ে অন্য কোনও শিবিরে যোগ দেওয়ার প্রশ্নই ওঠে না।

এই ঘটনা রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে নতুন করে জল্পনা সৃষ্টি করেছে এবং ঋত শিবিরের ভবিষ্যৎ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে, যা আগামী দিনে রাজ্যের রাজনৈতিক সমীকরণে বড় প্রভাব ফেলতে পারে।