মধ্যমগ্রামের দোহারিয়ায় পুকুর ভরাটের অভিযোগ, প্রমোটার-পৌর যোগসাজশের প্রতিবাদে সরব বিজেপি

মধ্যমগ্রামের দোহারিয়ায় পুকুর ভরাট করে বহুতল নির্মাণের অভিযোগ। পরিবেশের ভারসাম্য ও জল নিকাশির সমস্যায় সরব বিজেপি। প্রমোটার-পৌর যোগসাজশের অভিযোগ।

Share:

ব্যুরো নিউজ, ১২ অক্টোবর ২০২৬: মধ্যমগ্রামের দোহারিয়া ৯ নম্বর ওয়ার্ড এলাকায় একের পর এক পুকুর ভরাট করে বহুতল নির্মাণের অভিযোগ ঘিরে তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়েছে। পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা এবং জল নিকাশির একমাত্র ভরসা এই পুকুর ও জলাশয়গুলি বেআইনিভাবে ভরাট করা হচ্ছে বলে অভিযোগ। ইতিমধ্যেই একটি পুকুর বুজিয়ে বহুতল নির্মাণ সম্পন্ন হয়েছে এবং পাশেই আরেকটি জলাশয় ভরাটের কাজ জোরকদমে চলছিল। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছান ভারতীয় জনতা পার্টির প্রতিনিধি ও কর্মীবৃন্দ এবং তৎক্ষণাৎ বেআইনি ভরাটের কাজ বন্ধ করে দেন।

বিজেপির মধ্যমগ্রাম মন্ডল ২-এর সাধারণ সম্পাদক জানান, বর্ষার সময় এলাকার জল নিকাশি থেকে শুরু করে স্থানীয় মানুষের নিত্যপ্রয়োজনীয় কাজে এই পুকুরগুলির বিশেষ ভূমিকা রয়েছে। কিন্তু বিগত কয়েক বছর ধরে বিএলআরও অফিস ও স্থানীয় পৌরসভার একাংশের যোগসাজশে পুকুর বুজিয়ে ফেলার ষড়যন্ত্র চলছে। অভিযোগ, পৌরসভার ময়লা ফেলে জলাশয়গুলি প্রথমে ভরাট করা হচ্ছে এবং পরবর্তীতে মোটা টাকার বিনিময়ে তা প্রমোটারদের হাতে তুলে দেওয়া হচ্ছে। এলাকার পৌরসভার চেয়ারম্যান নিমাই ঘোষ এবং স্থানীয় বিধায়ক রথীন ঘোষ কীভাবে এসব বেআইনি কাজের অনুমতি দিচ্ছেন, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন তিনি। বিজেপির পক্ষ থেকে আরও জানানো হয়, কেবল সাম্প্রতিক রেকর্ড নয়, ১৯৬৫ সালের পুরনো ভূমি রেকর্ড পরীক্ষা করে এই ভূমিগুলির প্রকৃত মর্যাদা বিচার করতে হবে। এ বিষয়ে প্রশাসন, মহকুমা শাসক (SDO), বিডিও (BDO) ও পরিবেশ দপ্তরে লিখিত অভিযোগ জানানো হয়েছে। সাধারণ মানুষকে অন্যায় ও জলযন্ত্রণার হাত থেকে বাঁচাতে ভারতীয় জনতা পার্টি ভবিষ্যতেও এই সমস্ত বেআইনি জলাশয় ভরাটের বিরুদ্ধে কড়া আইনি ও সামাজিক আন্দোলন চালিয়ে যাবে বলে স্পষ্ট বার্তা দিয়েছে।