ব্যুরো নিউজ, ১৯ অক্টোবর ২০২৬: বিতর্কের সঙ্গে তাঁর নাম ওতপ্রোতভাবে জড়িত থাকলেও দুর্গাপুজোর সময় এক অন্য কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়কে দেখে অভ্যস্ত রাজ্যবাসী। এবারও তার ব্যতিক্রম হল না।
শ্রীরামপুরের তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়কে দেবী দুর্গার সামনে হাউহাউ করে কাঁদতে দেখা গেল। অষ্টমী ও নবমীর সন্ধিক্ষণে সন্ধিপুজোর পরই আবেগে ভাসলেন দুঁদে এই আইনজীবী। প্রতি বছরই দেবী প্রতিমার সামনে তাঁর এই আবেগঘন মুহূর্ত ক্যামেরাবন্দী হয়, যা নিয়ে চর্চাও চলে বিস্তর।
তৃণমূল জমানায় শ্রীরামপুর ৫ ও ৬ পল্লি গোষ্ঠী ও ব্যবসায়ী সমিতির পুজোর প্রধান পৃষ্ঠপোষক ছিলেন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। শ্রীরামপুর স্টেশন সংলগ্ন আরএমএস মাঠে এই পুজো একসময় তাঁর তত্ত্বাবধানেই জমকালোভাবে অনুষ্ঠিত হত। কিন্তু পালাবদলের পর সেই পুজো এখন বিজেপির হাতে যাওয়ায় এবার সেখানে ঠাঁই হয়নি তৃণমূল সাংসদের।
তবে পুজো থেকে দূরে থাকতে পারেননি তিনি। শ্রীরামপুরেই তাঁর বাসস্থান গঙ্গাদর্শন আবাসনের পুজোতে দেখা গেল তাঁকে। সেখানেই সন্ধিপুজো শেষে তিনি কান্নায় ভেঙে পড়েন।
রাজনৈতিক মহলে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের পরিচিতি তাঁর বিতর্কিত মন্তব্য এবং আক্রমণাত্মক ভঙ্গিমার জন্য। প্রাক্তন উপরাষ্ট্রপতি জগদীপ ধনকড়কে নিয়ে রসিকতা থেকে শুরু করে সংসদে ‘ছু কিত কিত’ মন্তব্য, অথবা যৌথ সংসদীয় কমিটির বৈঠকে কাচের বোতল ছোঁড়ার অভিযোগ— নানা সময়ে তিনি শিরোনামে এসেছেন।
তবে দুর্গাপুজোর এই বিশেষ মুহূর্তে সমস্ত রাজনৈতিক পরিচয় ভুলে তাঁর এই কান্না প্রতি বছরই রাজ্যের সাধারণ মানুষের মধ্যে কৌতূহল তৈরি করে।






