ব্যুরো নিউজ, ২১ অক্টোবর ২০২৬: ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডে ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোর বিতর্কিত অধ্যায় শেষ হওয়ার প্রায় চার বছর পর মুখ খুললেন তৎকালীন কোচ এরিক টেন হ্যাগ।
২০২২ সালে রোনাল্ডোর ক্লাব ছাড়ার নেপথ্যের কারণ হিসেবে তাঁর ফিটনেসের অভাব, অনুশীলনে অনীহা এবং দলের প্রতি দায়িত্ব পালনে ব্যর্থতাকে দায়ী করেছেন ডাচ কোচ। টেন হ্যাগের দাবি, রোনাল্ডো প্রত্যাশিত শারীরিক সক্ষমতা দেখাতে পারেননি এবং একাধিকবার অনুশীলন থেকে সরে দাঁড়িয়েছিলেন। এমনকি, ব্রেন্টফোর্ডের কাছে ০-৪ গোলে হারের পর দলের ফুটবলারদের তিনবার মাঠ প্রদক্ষিণ করার নির্দেশ দিলে রোনাল্ডো মাত্র দু’বার প্রদক্ষিণ করেন, যা কোচকে হতাশ করেছিল।
টেন হ্যাগ বলেন, “ও দলকে হতাশ করেছিল, আমাকেও হতাশ করেছিল। কারণ, ওকে নিয়েই আমরা পরিকল্পনা করেছিলাম।” টেন হ্যাগ আরও জানান, রোনাল্ডো সতীর্থদের অনুশীলনে বেশি শক্তি খরচ না করার পরামর্শ দিতেন। তাঁর মতে, একজন সেরা খেলোয়াড়কে ঘিরে পরিকল্পনা করা হলেও, দলের স্বার্থে তাঁকে নির্দিষ্ট দায়িত্ব পালন করতে হয়, যা রোনাল্ডো করেননি।
প্রাক্তন কোচ বলেন, “আমি ওকে বার বার বলতাম, রনি, তোমাকে সঠিক জায়গায় বল পৌঁছে দিতে সবাই পরিশ্রম করছে। কিন্তু তুমি যদি গোল করার জায়গায় পৌঁছতেই না পারো, তা হলে গোল করবে কী করে? ও সেটা করতে পারছিল না।”
২০২২ সালের অক্টোবর মাসে টটেনহ্যামের বিরুদ্ধ ম্যাচে পরিবর্ত হিসেবে নামতে অস্বীকার করার পরই তাঁদের সম্পর্কের অবনতি প্রকাশ্যে আসে। এরিক টেন হ্যাগ তখন রোনাল্ডোকে দল থেকে বাদ দেন। এরপর পিয়ার্স মর্গ্যানকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে রোনাল্ডো ক্লাব ও কোচের বিরুদ্ধে বিশ্বাসঘাতকতার অভিযোগ এনেছিলেন, যা তাঁর ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড অধ্যায়ের যবনিকা টেনেছিল। এই বিস্ফোরক অভিযোগগুলি ফুটবল মহলে ফের আলোচনার জন্ম দিয়েছে।










