চতুর্থবার সময় চাইলেন সুদীপ-কাকলিরা, লোকসভা স্পিকারের কাছে এনসিপিআই সাংসদদের আর্জি

এনসিপিআই সাংসদদের পদ খারিজের দাবিতে চতুর্থবার লোকসভা স্পিকারের কাছে সময় চাইলেন সুদীপ-কাকলিরা। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের চিঠির প্রেক্ষিতে এই পদক্ষেপ।

Share:

ব্যুরো নিউজ, ২২ অক্টোবর ২০২৬: লোকসভা অধ্যক্ষ ওম বিড়লার কাছে ফের অতিরিক্ত সময় চাইলেন এনসিপিআইয়ের ২০ জন সাংসদ। সাংসদ পদ খারিজের দাবি সংক্রান্ত বিষয়ে জবাব দেওয়ার জন্য এই নিয়ে চতুর্থবার সময় চাইলেন তাঁরা।

তৃণমূল কংগ্রেসের টিকিটে জয়ী হয়ে এনসিপিআইতে যোগ দেওয়া এই সাংসদদের পদ খারিজের দাবিতে লোকসভা স্পিকারকে ২০টি পৃথক চিঠি দিয়েছিলেন সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এই বিষয়টি শুধুমাত্র সংসদীয় নিয়মাবলীর মধ্যেই সীমাবদ্ধ নেই, বরং সুপ্রিম কোর্টেও এর আইনি প্রক্রিয়া চলছে, যা এই মামলার গুরুত্ব আরও বাড়িয়ে তুলেছে।

অধ্যক্ষের দফতর থেকে প্রথমে ৮ই অক্টোবর জবাব দেওয়ার শেষ দিন ধার্য করা হয়েছিল। গত ২২শে সেপ্টেম্বর এই ডেডলাইন দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু সেই সময়সীমা মানা সম্ভব হয়নি সাংসদদের পক্ষে। এরপর ২০শে অক্টোবর পর্যন্ত সময় দেওয়া হলেও, তাতেও কোনও উত্তর দিতে পারেননি তাঁরা। এবার ৩রা নভেম্বর পর্যন্ত সময় চেয়ে অধ্যক্ষের কাছে আবেদন জানিয়েছেন সাংসদ কাকলি ঘোষদস্তিদার সহ অন্যান্যরা, যার মধ্যে সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়ের নামও উঠে আসছে।

এই বারবার সময় চাওয়ার ঘটনা সংসদীয় বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। রাজনৈতিক মহলে বারবার সময় চাওয়ার এই ঘটনা বেশ চর্চার বিষয় হয়ে উঠেছে। কেন সাংসদরা নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে জবাব দিতে পারছেন না, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। বিরোধীরা এই বিলম্বকে কৌশলগত পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন, যেখানে শাসকদল এই ধরনের আইনি জটিলতা এড়াতে চাইছে বলে অভিযোগ।

এই আইনি জটিলতা এবং সময়ক্ষেপের বিষয়টি ভারতীয় রাজনীতিতে নতুন মাত্রা যোগ করছে। অধ্যক্ষের পরবর্তী পদক্ষেপের দিকে তাকিয়ে রয়েছে রাজনৈতিক মহল, কারণ এই সিদ্ধান্ত দেশের সংসদীয় গণতন্ত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ নজির স্থাপন করতে পারে।