চোরবাগানকাণ্ডে মৃতার পরিবারের পাশে শুভেন্দু, একাধিক ইস্যুতে সরব বিরোধী দলনেতা

চোরবাগানকাণ্ডে মৃতার পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাৎ শুভেন্দু অধিকারীর। অর্থনীতি, কৃষি, শিল্প, শিক্ষা ও সংস্কৃতি, বালি উত্তোলন এবং কোচবিহার-সহ একাধিক ইস্যুতে সরব হলেন বিরোধী দলনেতা।

Share:

ব্যুরো নিউজ, ২৬ অক্টোবর ২০২৬ : কলকাতার চোরবাগানকাণ্ডে মৃত কল্পনা জানার পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। পূর্ব মেদিনীপুরের রামনগরে মৃতার পরিবারের সঙ্গে দেখা করে তিনি রাজ্যের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে মতামত তুলে ধরেন। কোজাগরী লক্ষ্মীপুজো উপলক্ষে রাজ্যের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি, কর্মসংস্থান এবং পরিযায়ী শ্রমিকদের ঘরে ফেরার প্রার্থনা করেন তিনি।

কৃষি প্রসঙ্গে শুভেন্দু অধিকারী জানান, এবার বন্যা না হওয়ায় ফসলের উৎপাদন ভালো হবে। কৃষকদের কাছ থেকে ন্যায্য মূল্যে ফসল কেনার পাশাপাশি ধানের ন্যূনতম সহায়ক মূল্যের উপর প্রতি কুইন্টালে অতিরিক্ত ২০০ টাকা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন। শিল্প ও বিনিয়োগ নিয়ে তিনি বলেন, রাজ্যে শিল্পের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে এবং বড় শিল্পগোষ্ঠী ও বিদেশি বিনিয়োগকারীরা আগ্রহী। আইআইটি ও আদানি-সহ সংস্থার সঙ্গে দক্ষতা উন্নয়নের জন্য সমঝোতা করা হচ্ছে, যা প্রশিক্ষণের মাধ্যমে কর্মসংস্থান সৃষ্টি করবে। শিক্ষাব্যবস্থা ও সংস্কৃতি নিয়ে শুভেন্দু অধিকারী জাতীয় শিক্ষানীতি কার্যকরের কথা উল্লেখ করেন। তিনি স্কুলে মোবাইল ফোন ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা, পঞ্চম শ্রেণি থেকে পাশ-ফেল প্রথা ফিরিয়ে আনা, এনসিসি, এনএসএস, ব্রতচারী, শারীরিক শিক্ষা এবং তবলা, হারমোনিয়াম-সহ সাংস্কৃতিক কার্যকলাপ চালুর পক্ষে সওয়াল করেন। বামফ্রন্ট ও তৃণমূলের শাসনে বাংলার সংস্কৃতি ধ্বংসের অভিযোগ তুলে তা ফিরিয়ে আনার অঙ্গীকার করেন।

পড়াশোনার সুবিধার্থে মোবাইলের পরিবর্তে ট্যাব দেওয়ার প্রস্তাবও দেন। বালি উত্তোলন প্রসঙ্গে শুভেন্দু অধিকারী জানান, আইন মেনেই বালি তোলা হবে, যা সরকারের রাজস্ব বৃদ্ধি করবে ও অবৈধ বালি চুরি বন্ধ হবে। কোচবিহারে বাংলাদেশি দুষ্কৃতীদের বিএসএফের উপর পাথর ছোড়ার ঘটনায় কঠোর পদক্ষেপের হুঁশিয়ারিও দেন তিনি।