ব্যুরো নিউজ, ২৮ অক্টোবর ২০২৬: সৌদি আরবের পাশে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত এবার মিশরের জন্য কাল হতে পারে। ইয়েমেনের বিদ্রোহী গোষ্ঠী হাউথিরা সৌদি আরবের প্রতিরক্ষায় মিশরীয় সেনা মোতায়েনের উদ্যোগকে সরাসরি যুদ্ধের প্ররোচনা হিসেবে দেখছে। তাদের এক শীর্ষ কর্মকর্তার মতে, সৌদির নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে মিশর সেনা পাঠালে তা ইয়েমেনের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণারই সামিল হবে এবং এর উপযুক্ত জবাব দেওয়া হবে। এই ঘটনায় সৌদি আরব ও হাউথিদের মধ্যে চলমান সংঘাতের আঁচ অন্য দেশেও ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। গত দেড় মাসেরও বেশি সময় ধরে সৌদি আরব ও হাউথি বিদ্রোহীদের মধ্যে সংঘাত চলছে। এই পরিস্থিতিতে উপসাগরীয় অঞ্চলের নিরাপত্তা ও বাণিজ্যপথের সুরক্ষা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে বাব-আল-মান্দেব প্রণালীর মতো গুরুত্বপূর্ণ জলপথ নিয়ে উত্তেজনা আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের উপর প্রভাব ফেলতে পারে। লোহিত সাগরকে এডেন উপসাগরের সঙ্গে যুক্ত করা এই প্রণালী দিয়ে বহু বাণিজ্যিক জাহাজ যাতায়াত করে। সৌদি আরবের নিরাপত্তা জোরদার করার এই উদ্যোগের কূটনৈতিক তৎপরতা বাড়ছে। মিশরীয় পার্লামেন্টে সৌদি আরবের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে মিশরীয় সশস্ত্র বাহিনী মোতায়েনের প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা চলছে এবং দ্রুত সেনা পাঠানোর পরিকল্পনা রয়েছে বলেও জানা গেছে। তবে চূড়ান্ত অনুমোদন, বাহিনীর সংখ্যা এবং তাদের নির্দিষ্ট দায়িত্ব সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য এখনও স্পষ্ট নয়।
হাউথিদের বক্তব্য অনুযায়ী, উপসাগরীয় অঞ্চলে শান্তি প্রতিষ্ঠার আলোচনা যখন এগোনোর কথা, তখন সৌদি আরবের পাশে সেনা মোতায়েনের সিদ্ধান্ত পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলবে। তারা এই পদক্ষেপকে ইয়েমেনের বিরুদ্ধে সামরিক অবস্থান হিসেবে দেখবে এবং সেই অনুযায়ী জবাব দেবে। তবে, এই বক্তব্যকে মিশরের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক যুদ্ধ ঘোষণা হিসেবে ধরে নেওয়ার আগে তাদের নির্দিষ্ট বিবৃতি এবং সংশ্লিষ্ট সরকারি প্রতিক্রিয়া যাচাই করা প্রয়োজন।








