ব্যুরো নিউজ, ২৮ অক্টোবর ২০২৬: আর জি কর মেডিক্যাল কলেজের ছাত্রী ধর্ষণ ও খুনের ঘটনায় চাঞ্চল্যকর মোড়। এবার এই মামলার তদন্তে পানিহাটির প্রাক্তন পুরপ্রধান সোমনাথ দে-কে নিজেদের হেফাজতে নিল সিবিআই। বুধবার শিয়ালদহ আদালতে সিবিআই আবেদন জানালে, আদালত দু’দিনের হেফাজতের নির্দেশ দেয়। এর আগে এই মামলায় সঞ্জয় রায়, সন্দীপ ঘোষ এবং টালা থানার তৎকালীন ওসি-কে নিজেদের হেফাজতে নিয়েছিল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। এবার সোমনাথ দে-কে জেরা করে এই ঘটনায় আরও নতুন তথ্য উঠে আসবে বলে তদন্তকারীদের অনুমান।
গত ৯ আগস্ট আর জি কর মেডিক্যালে চিকিৎসক-পড়ুয়ার দ্বিতীয় মৃত্যুবার্ষিকীতে পানিহাটিতে একটি স্মরণসভার আয়োজন করা হয়েছিল। সেখানে উপস্থিত থেকে নির্যাতিতার দেহ তড়িঘড়ি দাহ করার ঘটনায় নতুন করে তদন্তের নির্দেশ দেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর অভিযোগ ছিল, চিকিৎসক-পড়ুয়ার দেহ দ্রুত দাহ করে তথ্যপ্রমাণ লোপাট করা হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রীর নিশানায় ছিলেন পানিহাটির প্রাক্তন বিধায়ক নির্মল ঘোষ, প্রাক্তন কাউন্সিলর সঞ্জীব মুখোপাধ্যায় ও পানিহাটির প্রাক্তন পুরপ্রধান সোমনাথ দে। এরপরই তাঁদের বিরুদ্ধে খড়দহ থানায় নতুন করে অভিযোগ দায়ের করেন নির্যাতিতার বাবা। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে আগেই নির্মল ঘোষ ও সঞ্জীব মুখোপাধ্যায়কে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে বেঙ্গালুরু থেকে গ্রেপ্তার করা হয় সোমনাথ দে-কে। বর্তমানে তিনি জেল হেফাজতে রয়েছেন। তবে সোমনাথ দে-কে সিবিআই কেন নিজেদের হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করছে না, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন অভয়ার মা। তাঁর দাবি ছিল, সোমনাথ দে-কে জিজ্ঞাসাবাদ করলে একাধিক নতুন তথ্য সামনে আসবে। এরপরই সিবিআই এই পদক্ষেপ নিল।
নির্যাতিতার পরিবারের আইনজীবী জানিয়েছেন, সোমনাথ দে হাই কোর্টে জামিনের আবেদন করেছেন এবং সেই তথ্য গোপন করে শিয়ালদহ আদালতেও জামিনের আবেদন করেছিলেন, যা আদালতকে জানানো হয়েছে।








