কম বয়সেই চুল পাকছে? রাসায়নিক-মুক্ত হেয়ার কালার ব্যবহারের আগে জেনে নিন জরুরি তথ্য

কম বয়সেই চুল পাকছে? রাসায়নিক-মুক্ত হেয়ার কালার ব্যবহারের আগে জেনে নিন অ্যামোনিয়া, পিপিডি-র মতো উপাদান ও সঠিক ব্যবহারবিধি।

Share:

মাত্র কুড়ি বা তিরিশের কোঠাতেই কি চুলে পাক ধরছে? আজকাল অনেকেই এই সমস্যায় ভুগছেন। বংশগত কারণ ছাড়াও পুষ্টির অভাব, শারীরিক অসুস্থতা বা জীবনযাত্রার ভুলভ্রান্তিও এর জন্য দায়ী হতে পারে। সাদা চুল ঢাকতে অনেকেই নিয়মিত হেয়ার কালার ব্যবহার করেন। কিন্তু শুধু পছন্দের রং বেছে নিলেই হবে না, এর উপাদান ও ব্যবহারবিধি সম্পর্কেও ওয়াকিবহাল থাকা জরুরি। হেয়ার কালারের প্যাকেটে থাকা অ্যামোনিয়া ও পিপিডি (PPD) নিয়ে প্রায়শই আলোচনা হয়। অ্যামোনিয়া চুলের বাইরের স্তর খুলে রং প্রবেশে সাহায্য করে, আর পিপিডি গাঢ় রং দীর্ঘস্থায়ী করে। তবে পিপিডি অনেকের ত্বকে অ্যালার্জি বা সংবেদনশীলতার কারণ হতে পারে। তাই অ্যামোনিয়া ও পিপিডি-মুক্ত রং ব্যবহার করা ভালো। তবে কোনও পণ্য সম্পূর্ণ নিরাপদ কিনা, তা ব্যবহারের আগে নির্দেশিকা দেখে ও প্যাচ টেস্ট করে নেওয়া উচিত। কতদিন অন্তর রং করা উচিত, তা নির্ভর করে চুল কতটা দ্রুত বাড়ছে, কতটা সাদা হচ্ছে এবং রং কতটা স্থায়ী হচ্ছে তার উপর। অনেক সময় পুরো চুলে রং না করে শুধু গোড়ার নতুন গজানো সাদা চুলে রং করলেই চলে। এতে চুলের ও মাথার ত্বকের উপর চাপ কম পড়ে। রং শুধু চুলে নয়, মাথার ত্বকেরও সংস্পর্শে আসে। তাই নিয়মিত রং করলে ত্বকে কোনও অস্বস্তি হচ্ছে কিনা, সেদিকে খেয়াল রাখা জরুরি। কিছু ব্র্যান্ড তাদের পণ্যে বিশেষ নির্যাস ও তেলের ব্যবহার করে চুল ও মাথার ত্বকের যত্ন নেওয়ার দাবি করে। তবে যেকোনো হেয়ার কালার ব্যবহারের আগে তার উপাদান ও পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া সম্পর্কে জেনে নেওয়া বুদ্ধিমানের কাজ। অল্প বয়সে চুল পেকে যাওয়া অস্বাভাবিক মনে হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।