ব্যুরো নিউজ, ৩০ অক্টোবর ২০২৬: দুর্গাপুজোর পাস বিক্রি নিয়ে দুর্নীতির অভিযোগে রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী ইন্দ্রনীল সেন গ্রেফতার হওয়ার পর এবার তাঁর বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ আনলেন NCP-র সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদার। যদিও তিনি সরাসরি কারও নাম নেননি, তবে তাঁর ইঙ্গিত স্পষ্টভাবেই প্রাক্তন মন্ত্রীর দিকে। কাকলি ঘোষ দস্তিদারের অভিযোগ, শুধু দুর্নীতি নয়, পদ ও ক্ষমতার চরম অপব্যবহার করে মহিলাদের উপর নিগ্রহ ও ‘ভোগ’ করেছেন ইন্দ্রনীল।
বারাসতের এই সাংসদ তাঁর সোশ্যাল মিডিয়া হ্যান্ডেলে লিখেছেন, “নারী নির্যাতন ও খুনের মতোই নিন্দনীয় ক্ষমতার অপব্যবহার করে মহিলাদের ভোগ করা। ধৃত মন্ত্রী একা নন, তাঁর সাঙ্গপাঙ্গদের জন্যও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানাই।” তাঁর এই মন্তব্যে রাজ্য রাজনীতিতে নতুন করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। রাজনৈতিক মহলে জোর জল্পনা শুরু হয়েছে, তবে কি মন্ত্রী থাকাকালীন নিজের পদ ও প্রভাব খাটিয়ে মহিলাদের ওপর নিগ্রহের মতো ঘটনাও ঘটিয়েছিলেন ইন্দ্রনীল সেন? উল্লেখ্য, বুধবার চার ঘণ্টা ইডি জেরার পর ইন্দ্রনীল সেনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। বৃহস্পতিবার ব্যাঙ্কশাল আদালত তাঁকে ১০ নভেম্বর পর্যন্ত পুলিশি হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে। তদন্তকারী আধিকারিকদের মতে, ‘মাস আর্ট’ নামে একটি সংস্থার মাধ্যমে কোটি টাকার আর্থিক লেনদেনের তথ্য তাঁদের হাতে এসেছে, যার একটি মোটা অঙ্কের টাকা ইন্দ্রনীল সেনের স্ত্রীর ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে জমা পড়েছিল। যদিও ইন্দ্রনীল সেন শুরু থেকেই সমস্ত অভিযোগ ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, তদন্তে তিনি সবসময় সহযোগিতা করেছেন। ‘মাস আর্ট’-এর পাশাপাশি ‘থার্ড আই’ নামে আরও একটি সংস্থার সঙ্গে তাঁর নাম জড়িয়েছে। তিনি দাবি করেন, তাঁর স্ত্রী সহ অন্যরা ওই সংস্থাগুলির বিভিন্ন পদে থাকলেও তিনি নিজে কোনওভাবে যুক্ত নন।








