ব্যুরো নিউজ, ১ নভেম্বর ২০২৬: দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগরে আবার সৃষ্টি হল নিম্নচাপ। এই গভীর নিম্নচাপটি বর্তমানে শক্তি সঞ্চয় করে অবশেষে ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হয়েছে। ভারতীয় নাম অনুযায়ী এর নামকরণ করা হয়েছে ‘মুরাসু’।
আলিপুর আবহাওয়া দফতর সূত্রে খবর, আগামী ২রা নভেম্বর এটি আরও শক্তিশালী হয়ে ‘সিভিয়ার সাইক্লোনিক স্টর্ম’-এ রূপ নিতে পারে। ঘূর্ণিঝড়টির গতিপথ মূলত পশ্চিম ও উত্তর-পশ্চিম দিকে, যা ৩রা নভেম্বর সকালে দক্ষিণ অন্ধ্রপ্রদেশ উপকূলে আছড়ে পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সেই সময় এর গতিবেগ ঘণ্টায় ১০০-১১০ কিলোমিটার পর্যন্ত হতে পারে, যা দমকা হাওয়ায় ১২০ কিলোমিটার পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে।

তবে আশার কথা, ঘূর্ণিঝড় মুরাসুর সরাসরি কোনো প্রভাব পশ্চিমবঙ্গের ওপর পড়বে না। এর মূল গতিপথ অন্ধ্রপ্রদেশ উপকূলের দিকে হওয়ায় রাজ্যের উপর এর বিধ্বংসী প্রভাবের সম্ভাবনা নেই। কিন্তু পরোক্ষ প্রভাবে ১লা থেকে ৩রা নভেম্বরের মধ্যে রাজ্যের কিছু কিছু জেলায় হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে। দক্ষিণবঙ্গের পাশাপাশি উত্তরবঙ্গের কিছু অংশেও এই বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি দেখা যেতে পারে।
আগামী তিন দিন রাজ্যের তাপমাত্রায় তেমন কোনো পরিবর্তন হবে না। তবে ঘূর্ণিঝড়টি সরে যাওয়ার পর ৪-৫ দিনের মধ্যে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২-৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত কমতে পারে। কলকাতা ও পার্শ্ববর্তী অঞ্চলে তাপমাত্রা স্বাভাবিক থাকলেও পশ্চিমের জেলাগুলিতে তা আরও কমতে পারে।








