ব্যুরো নিউজ, ১৯ অক্টোবর ২০২৬: শনিবার চোরবাগান সার্বজনীন মণ্ডপে পদপিষ্ট হয়ে ১৯ জনের মর্মান্তিক মৃত্যুর ঘটনায় ময়নাতদন্তের রিপোর্ট সামনে আসতেই শিউরে উঠছেন সকলে। রবিবার প্রকাশিত এই রিপোর্টে উঠে এসেছে ভয়াবহ সব তথ্য, যা সপ্তমীর রাতের সেই অভিশপ্ত পরিস্থিতির ভয়াবহতা আরও স্পষ্ট করে তুলেছে।
অধিকাংশ মৃত্যুর কারণ হিসেবে দমবন্ধ হওয়াকেই চিহ্নিত করা হয়েছে। রিপোর্ট অনুযায়ী, ১৯ জন মৃতের মধ্যে প্রায় সকলেরই দমবন্ধ হয়ে মৃত্যু হয়েছে। তবে সবচেয়ে উদ্বেগজনক তথ্য হলো, অন্তত ৬ জন মৃত ব্যক্তির ক্ষেত্রে ভিড়ের প্রবল চাপে পাঁজরের হাড় ভেঙে ফুসফুসের মধ্যে ঢুকে গিয়েছিল। এই ধরনের আঘাতই তাদের মৃত্যুর কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এছাড়া, ৭ জনের ক্ষেত্রে দমবন্ধ হওয়ার পাশাপাশি শরীরের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। বাকি মৃতদের হাত-পা ভাঙার পাশাপাশি মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ এবং অন্যান্য গুরুতর আঘাতের চিহ্নও পাওয়া গেছে।
বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, ভিড়ের চাপ এতটাই অস্বাভাবিক ছিল যে নিচে পড়ে যাওয়া ব্যক্তিদের পক্ষে শ্বাস নেওয়া অসম্ভব হয়ে পড়েছিল। একইসঙ্গে, শরীরের উপর প্রচণ্ড চাপ পড়ার কারণে অভ্যন্তরীণ অঙ্গপ্রত্যঙ্গের মারাত্মক ক্ষতি হয়।
এই রিপোর্ট চোরবাগান দুর্ঘটনার ভয়াবহতা এবং ব্যবস্থাপনার ত্রুটি নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে। স্বাস্থ্যভবন ইতিমধ্যেই এই ঘটনার পর কর্মী ও আধিকারিকদের ছুটি বাতিল করে বড় মণ্ডপগুলিতে চিকিৎসক রাখার নির্দেশ দিয়েছে।







