রেজিনগর উপনির্বাচন: ‘সংখ্যালঘুরাই ভোট দিয়েছেন বিজেপিকে’, দাবি শুভেন্দু অধিকারীর

রেজিনগর উপনির্বাচনে বিজেপির জয়ের পর শুভেন্দু অধিকারীর বিস্ফোরক দাবি। বললেন, বাম-তৃণমূলের অপপ্রচার সত্ত্বেও সংখ্যালঘুরা বিজেপিকেই ভোট দিয়েছেন।

Share:

ব্যুরো নিউজ, ৯ অক্টোবর ২০২৬: রেজিনগর উপনির্বাচনে বিজেপির বিপুল জয়ের পর ফের একবার রাজ্যের রাজনৈতিক সমীকরণ নতুন করে চর্চায় উঠে এসেছে। শুক্রবার নন্দীগ্রামের পাশাপাশি সংখ্যালঘু অধ্যুষিত রেজিনগরেও গেরুয়া শিবিরের প্রার্থী শঙ্খরভ সরকার বিশাল ব্যবধানে জয়লাভ করেন।

এই সাফল্যের পর সাংবাদিক বৈঠকে এসে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী সরাসরি সংখ্যালঘুদের ধন্যবাদ জানান। তাঁর দাবি, এই ঐতিহাসিক জয়ের নেপথ্যে রয়েছে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ব্যাপক সমর্থন, যা রাজ্যের রাজনীতিতে এক নতুন বার্তা বহন করছে।

শুভেন্দু অধিকারী অভিযোগ করেন, এতদিন ধরে বাম ও তৃণমূল কংগ্রেস বিজেপিকে নিয়ে সংখ্যালঘু মহলে যে অপপ্রচার চালিয়েছে, তা গত পাঁচ মাসে মিথ্যা বলে প্রমাণিত হয়েছে। তাঁর কথায়, “বিজেপি এলে তাদের বাংলাদেশে ফেরত পাঠানো হবে বা ডিটেনশন ক্যাম্পে পাঠানো হবে” – এমন মিথ্যা প্রচারের ফাঁদে পা দেননি সংখ্যালঘুরা। বরং, তাঁরা ভেদাভেদের ঊর্ধ্বে উঠে বিজেপিকেই ভোট দিয়েছেন, যা গণতন্ত্রের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।

তিনি আরও বলেন, “সবাই বিজেপিকে ভোট দিয়েছে, হিন্দু-মুসলিম নির্বিশেষে। রেজিনগরে ৩৫ হাজার সংখ্যালঘু পরিবারের দিদি-বোনরা ভোট দিয়েছেন। ৭০ শতাংশের মধ্যে ৬০ শতাংশ ভোটই দিয়েছেন সংখ্যালঘু ভাইবোনেরা।” পরিশেষে তিনি বলেন, গত ৬ই অগাস্ট তাঁর ‘ফ্রেন্ডশিপ ডে’-র কথায় সংখ্যালঘুরা সাড়া দিয়েছেন, যা তাঁকে আনন্দিত করেছে।

এই জয় প্রমাণ করে যে, রাজ্যে বিজেপির সংখ্যালঘু জনভিত্তি আরও মজবুত হচ্ছে এবং তথাকথিত ‘৭০-৩০’ মেরুকরণের রাজনীতিকে মানুষ প্রত্যাখ্যান করছে।