জনরায় মানতে নারাজ মমতা, পুলিশের বিরুদ্ধে অভিষেককে খুনের চেষ্টার অভিযোগ

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জনরায় মানতে নারাজ। তিনি পুলিশের বিরুদ্ধে অভিষেককে খুনের চেষ্টার অভিযোগ তুলেছেন এবং বিজেপিকে রিগিংয়ের জন্য দায়ী করেছেন।

Share:

ব্যুরো নিউজ , ১ জুন ২০২৬ : বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূলের ভরাডুবির পর প্রায় এক মাস পেরিয়ে গেলেও জনরায় মানতে নারাজ রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সোমবার কালীঘাট থেকে লাইভ করে তিনি আবারও নির্বাচন কারচুপির অভিযোগ তুললেন। তাঁর দাবি, বিজেপি অন্তত ১৭৭টি আসনে রিগিং করেছে এবং বাংলাকে টার্গেট করে হারানো হয়েছে। তৃণমূল নেত্রী বলেন, ভবানীপুর কেন্দ্রে তাঁকে গণনাকেন্দ্র থেকে মারতে মারতে বের করে দেওয়া হয়েছে এবং জোর করে হারানো হয়েছে।

এই পরাজয় সত্ত্বেও তিনি বিশ্বাস করেন, তৃণমূলকে এভাবে ভেঙে ফেলা যাবে না, বরং দল আরও শক্তিশালী হবে। বর্তমানে রাজ্যে বিজেপি ২০৮টি আসন দখল করে সরকার গঠন করেছে এবং শুভেন্দু অধিকারী মুখ্যমন্ত্রী হয়েছেন। এই পরিস্থিতিতে মমতার এই মন্তব্য রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। এদিন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ও কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপর হামলার ঘটনা নিয়েও সরব হন মমতা। তিনি সরাসরি রাজ্যের পুলিশ ও শাসকদল বিজেপিকে কাঠগড়ায় তোলেন। তাঁর অভিযোগ, তৃণমূলকে দুর্বল করতে পুলিশ ও বিজেপি যৌথভাবে কাজ করছে। ভীতি প্রদর্শন, মিথ্যা গ্রেফতারি এবং ভোট কারচুপির মতো ঘটনা ঘটানো হচ্ছে।

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আরও বলেন, অভিষেকের উপর হামলা হলেও পুলিশ প্রকৃত দোষীদের গ্রেফতার না করে বিজেপি কর্মীদের আড়াল করছে। তাঁর কাছে সমস্ত প্রমাণ রয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি। প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী দৃঢ়তার সঙ্গে বলেন, “এভাবে তৃণমূলকে দমিয়ে রাখা যাবে না! আমরা আবার ফিরব।” রাজ্যের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে মমতার এই মন্তব্য নতুন করে জল্পনা তৈরি করেছে।