বেপরোয়া লরির ধাক্কায় মৃত ১

দেশে

Share:

ব্যুরো নিউজ, ১৯ ডিসেম্বর: বেপরোয়া লরির ধাক্কায় মৃত ১ 

ফের বেপরোয়া লরির ধাক্কায় প্রাণহানির ঘটনা ঘটল শহর কলকাতায়। রবিবার রাতে কাঁকুড়গাছি মোড়ের কাছে ওই দুর্ঘটনা ঘটে। জানা গিয়েছে, দুর্ঘটনায় মৃতার নাম মঞ্জু বসু। তাঁর বয়স ৫৮ বছর। আদপে মঞ্জু বেলেঘাটার গগন সরকার রোডের বাসিন্দা।  তাঁর স্বামী গুরুতর জখম হয়ে ই এম বাইপাসের ধারে একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। পুলিশ জানায়, মৃতার নাম মঞ্জু বসু (৫৮)। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ঘটনার রাতে মঞ্জু তাঁর স্বামী দেবপ্রসাদ বসুর সঙ্গে স্কুটারে চেপে নিমন্ত্রণ বাড়ি থেকে ফিরছিলেন। কাঁকুড়গাছির কাছে স্কুটারটিকে ধাক্কা মারে বেপরোয়া গতিতে আসা একটি লরি। তার জেরে ওই দম্পতি রাস্তার ধারে ছিটকে পড়ে যায়। সেই সময়ে লরিটির চাকা মঞ্জুকে পিষে চলে যায়। সেই সময় গুরুতর জখম হন দেবপ্রসাদও। তাঁদের উদ্ধার করে স্থানীয় ইএসআই হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসকেরা মঞ্জুকে মৃত ঘোষণা করে। পরে দেবপ্রসাদের অবস্থার অবনতি হলে তাঁকে বাইপাসের ধারে একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। পুলিশ ঘাতক সেই লরিটি আটক করলেও চালক পলাতক।

বেপরোয়া লরির ধাক্কায় মৃত্যুর ঘটনা এই প্রথম নয়। এর আগেও এইরকম লরির ধাক্কায় প্রান গেছে বহু মানুষের। প্রসঙ্গত, গত বুধবার ভোরে রাজা দীনেন্দ্র স্ট্রিট ও বিবেকানন্দ রোডের সংযোগস্থলে সিমেন্ট বোঝাই একটি লরির ধাক্কায় মারা গিয়েছিলেন কলকাতা পুলিশের পশ্চিম বন্দর থানার কনস্টেবল অভিজিৎ চক্রবর্তী। রাতের ডিউটি সেরে ভোরে তিনি স্কুটার চালিয়ে বারাসতে নিজের বাড়িতে ফিরছিলেন। তখনই ওই দুর্ঘটনা ঘটে।

ICU-তে অভিনেত্রী তনুজা | হাসপাতালে দুশ্চিন্তায় কাজল

মঞ্জুর ছেলে দেবজ্যোতির কথায়, ‘‘আমি বিশ্বাসই করতে পারছি না। কেমন যেন ঘোরের মধ্যে রয়েছি। রাতে ইএসআই হাসপাতালে গিয়ে দেখি, বাবাকে একটি শয্যায় রাখা হয়েছে। উল্টো দিকের শয্যায় দেখি, মা শুয়ে আছেন। বাবা আমাকে বললেন মায়ের দিকে দেখতে। আমি কাছে গিয়ে বুঝতে পারি, মা আর নেই।’’

মাত্র এক সপ্তাহের মধ্যে বেপরোয়া লরির ধাক্কায় পর পর দু’টি প্রাণঘাতী দুর্ঘটনা ঘটলো শহর কলকাতায়। ফলে রাতে বা ভোরের দিকে শহরের রাস্তায় লরি ও ট্রাকের দাপাদাপি নিয়ে ফের প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। অভিযোগ, রাতে বা ভোরের দিকে শহরের রাস্তায় বেপরোয়া গতিতে চলে লরি ও ট্রাক। অনেক ক্ষেত্রে সিগন্যালও তাঁরা মানেন না। ওই সময়ে রাস্তায় পুলিশের নজরদারিও বিশেষ থাকে না বলেই দাবি। ফলে রাতে বা ভোরের দিকেই বেপরোয়া লরি বা ট্রাকের ধাক্কায় একাধিক প্রাণহানির দুর্ঘটনা ঘটেই চলেছে শহর কলকাতা জুড়ে। ইভিএম নিউজ