ব্যুরো নিউজ, ২৭ সেপ্টেম্বর: র্পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে দীর্ঘদিনের প্রতিদ্বন্দ্বী তৃণমূল ও সিপিএমকে ফের একই ইস্যুতে কাছাকাছি দেখা যাচ্ছে। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের অপসারণ এবং SIR-সহ নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে বিরোধী দলগুলির বৃহত্তর সমন্বয়ের প্রস্তাব নিয়ে সিপিএমের সাধারণ সম্পাদক এম এ বেবি চিঠি দিয়েছিলেন বিভিন্ন বিরোধী নেতাকে। সূত্রের খবর, সেই প্রেক্ষিতেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে তাঁর ফোনে কথাও হয়েছে। তবে সিপিএমের রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিম স্পষ্ট করেছেন, এর অর্থ বাংলায় তৃণমূলের সঙ্গে কোনও নির্বাচনী সমঝোতা নয়।
২৬ সেপ্টেম্বর শ্রীরামপুরের সভা থেকে মমতা বলেন, রাজনৈতিক রং না দেখে ভোটারদের স্বার্থে আন্দোলনে বৃহত্তর ঐক্য প্রয়োজন। একই সঙ্গে SIR-এর মাধ্যমে বিপুল সংখ্যক বৈধ ভোটারের নাম বাদ পড়ার অভিযোগ তুলে তিনি জ্ঞানেশ কুমারের অপসারণের দাবি পুনরায় জানান। SIR বাংলাকে দখলের উদ্দেশ্যে করা হয়েছে—এমন অভিযোগও করেন তিনি, যদিও এটি তাঁর রাজনৈতিক দাবি, প্রতিষ্ঠিত তথ্য হিসেবে নয়।
বেবি–মমতা যোগাযোগের পরেই রাজনৈতিক মহলে প্রশ্ন উঠেছে, তবে কি তৃণমূল ও বামেদের মধ্যে নতুন কোনও সমীকরণের সূচনা হচ্ছে? বর্তমান তথ্য অবশ্য সেই সিদ্ধান্তে পৌঁছনোর মতো নয়। বরং প্রকাশ্যে যা স্পষ্ট, তা হল নির্বাচন কমিশন ও SIR ইস্যুতে নির্দিষ্ট দাবিতে সমন্বয়, কিন্তু পশ্চিমবঙ্গে নির্বাচনী বোঝাপড়ার কোনও ঘোষণা এখনও হয়নি।
এদিকে ২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের পর পশ্চিমবঙ্গের ক্ষমতায় বিজেপি। শুভেন্দু অধিকারী বর্তমানে মুখ্যমন্ত্রী—৯ মে ২০২৬ তিনি মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন।
ফলে সিপিএম-তৃণমূলের অতীত সংঘাতের প্রসঙ্গ টেনে বিজেপি এই নতুন রাজনৈতিক যোগাযোগকে আক্রমণের হাতিয়ার করছে। তবে দুই দলের নেতাদের বক্তব্য অনুযায়ী, দিল্লিতে বৃহত্তর বিরোধী সমন্বয় এবং বাংলার নির্বাচনী রাজনীতি—এই দুই ক্ষেত্রকে আলাদা করেই দেখা হচ্ছে। ৩০ সেপ্টেম্বর দিল্লির কনস্টিটিউশন ক্লাবে বিরোধী দলগুলির বৈঠকের সম্ভাবনাও রয়েছে।







