ব্যুরো নিউজ, ৮ জুন ২০২৬ঃ দার্জিলিংয়ের কোলাহল ও মিরিকের ভিড় এড়াতে প্রকৃতিপ্রেমীদের জন্য নতুন ঠিকানা দার্জিলিং জেলার বংকুলুং। মিরিক থেকে মাত্র ১৫ কিমি দূরে নেপাল সীমান্তের কাছে অবস্থিত এই গ্রাম এখনও পর্যটকদের ভিড় থেকে মুক্ত। যারা পাহাড়ের নিস্তব্ধতা ও প্রকৃতির শান্ত রূপ চান, তাদের জন্য বংকুলুং এক আদর্শ গন্তব্য। শিলিগুড়ি থেকে প্রায় ৭০ কিমি দূরে বংকুলুং পৌঁছতে নিউ জলপাইগুড়ি স্টেশন বা বাগডোগরা বিমানবন্দর থেকে মিরিক হয়ে গাড়ি ভাড়া করে যাওয়া যায়। প্রায় তিন ঘণ্টার এই যাত্রাপথ কিছুটা ভাঙা হলেও অ্যাডভেঞ্চারের স্বাদ দেবে। এখানে কোনো নির্দিষ্ট সাইটসিইং স্পট নেই, পুরো গ্রামটাই যেন এক ভিউ পয়েন্ট। হোমস্টের বারান্দা থেকেই মেঘ সরে গেলে দেখা যায় কাঞ্চনজঙ্ঘার সোনালি রূপ।
নভেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারি মাস পর্যন্ত কমলালেবুর বাগান এবং গ্রামের চারপাশে চা বাগান ও পাইন ফরেস্ট পায়ে হেঁটে ঘুরে দেখার জন্য উপযুক্ত। এখানে মূলত সাঁওতাল ও রাই সম্প্রদায়ের মানুষের বসবাস। তাদের হোমস্টেতে থাকার অভিজ্ঞতা এবং রাতে ধামসা-মাদলের তালে নাচ স্থানীয় সংস্কৃতির এক ঝলক দেখায়। দেশি মুরগির ঝোল আর গরম ভাত এখানকার বিশেষ আকর্ষণ। বংকুলুং-এ বড় হোটেল নেই, সবই পারিবারিক হোমস্টে। মাথাপিছু ১২০০ থেকে ১৫০০ টাকায় থাকা-খাওয়া সহ ব্যবস্থা পাওয়া যায়। অক্টোবর থেকে মার্চ মাস কাঞ্চনজঙ্ঘা দেখার জন্য সেরা সময়। বর্ষায় সবুজে মোড়া মেঘে ঢাকা গ্রামও এক ভিন্ন আকর্ষণ। এটিএম বা ইউপিআই পরিষেবা না থাকায় নগদ টাকা ও পাওয়ার ব্যাংক রাখা জরুরি। বংকুলুং আপনাকে প্রকৃতির সাথে মিশে থাকার অনন্য সুযোগ দেবে।







