ব্যুরো নিউজ,১০ ডিসেম্বর:বাংলাদেশের সরকার সম্প্রতি তাদের বিদেশমন্ত্রক থেকে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিবৃতি দিয়েছে, যেখানে বলা হয়েছে, ‘বাংলাদেশে বসবাসকারী সবাই স্বাধীনভাবে ধর্মচর্চা করে আসছে এবং এ বিষয়ে কোনো বিভ্রান্তি বা অপপ্রচারের সুযোগ নেই।’ তারা আরও জানিয়েছে, এটি বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয় এবং অন্য কোনো দেশের মন্তব্য এ ক্ষেত্রে অগ্রহণযোগ্য।
প্রধানমন্ত্রী মোদীর উদ্যোগঃ বিমা সখী যোজনায় মহিলাদের ক্ষমতায়ন
উদ্বেগ প্রকাশ

বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গত ৫ আগস্ট ভারতে পালিয়ে আসার পর থেকে দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি বেশ পাল্টেছে। তার আসার পরেই বাংলাদেশে কিছু সন্ত্রাসী হামলা ও বিশেষ করে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর আক্রমণের ঘটনা ঘটে। এই পরিস্থিতিতে ভারতের বিদেশ সচিব বিক্রম মিশ্রি ঢাকায় সফর করেন এবং একাধিক বৈঠক করেন। বাংলাদেশ সরকারের বিদেশ সচিব মহম্মদ জসিমউদ্দিন জানান ভারতীয় গণমাধ্যমে বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের প্রতি বৈরী আচরণ নিয়ে অপপ্রচার চালাচ্ছে এবং ভারত সরকারের কাছে এ বিষয়ে যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানানো হয়েছে।এছাড়া জসিমউদ্দিন আরও বলেছেন যে শেখ হাসিনা ভারতে বসে যে বক্তব্য দিচ্ছেন তা বাংলাদেশের পক্ষ থেকে গ্রহণযোগ্য নয়। তিনি ভারতের কর্মকর্তাদের কাছে এই বিষয়টি তুলে ধরার অনুরোধ করেছেন। এই বক্তব্যের ফলে বাংলাদেশে কিছু উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে এবং সরকারের পক্ষ থেকে তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে।
ভারতীয় বিদেশ সচিবের ঢাকায় সফরঃ দুই দেশের সম্পর্ক শক্তিশালী করার প্রচেষ্টা
বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা মহম্মদ ইউনুসও বলেন “শেখ হাসিনা ভারতে বসে যে বিবৃতি দিচ্ছেন, তা উত্তেজনা সৃষ্টি করছে। এই বিষয়টি আমাদের কাছে অগ্রহণযোগ্য।” বাংলাদেশ সরকারের বিদেশ মন্ত্রকও স্পষ্ট করে জানিয়েছে যে, দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে অন্য কোনো দেশের মন্তব্য বা হস্তক্ষেপ তাদের জন্য গ্রহণযোগ্য নয়।
https://www.youtube.com/live/UX_SaYCOeQQ?si=Ogs65Dm_SHomYYzC








