দিল্লি ও উত্তর ভারতে জোরাল ভূমিকম্প, আফগানিস্তানে উৎসস্থল; ব্যাপক আতঙ্ক

শনিবার সন্ধ্যায় ৬.২ মাত্রার ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল দিল্লি, জম্মু-কাশ্মীর-সহ উত্তর ভারত। আফগানিস্তানের হিন্দুকুশ ছিল উৎসস্থল। ব্যাপক আতঙ্ক, তবে হতাহতের খবর নেই।

Share:

ব্যুরো নিউজ, ২৭ জুন ২০২৬ঃ শনিবার সন্ধ্যায় শক্তিশালী ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল দিল্লি, জম্মু ও কাশ্মীর-সহ উত্তর ভারতের বিস্তীর্ণ অঞ্চল। ন্যাশনাল সেন্টার ফর সিসমোলজি-র তথ্য অনুযায়ী, রিখটার স্কেলে কম্পনের মাত্রা ছিল ৬.২। ভূমিকম্পের উৎসস্থল ছিল আফগানিস্তানের হিন্দুকুশ পর্বতাঞ্চলে, কালাফগান থেকে প্রায় ৮১ কিলোমিটার দূরে। ভূপৃষ্ঠ থেকে ২১৫ কিলোমিটার গভীরে এই কম্পনের উৎপত্তি হয়। ২৭ জুন, ২০২৬ তারিখে সন্ধ্যা ৭টা ৪ মিনিট নাগাদ এই জোরাল কম্পন অনুভূত হয়। কম্পনের জেরে বহু মানুষ আতঙ্কিত হয়ে পড়েন।

দিল্লি ও সংলগ্ন এলাকায় কম্পন এতটাই তীব্র ছিল যে আতঙ্কিত মানুষজন দ্রুত ঘর ছেড়ে রাস্তায় বেরিয়ে আসেন। অফিসের কর্মীরাও তড়িঘড়ি ভবন ছেড়ে নিরাপদ স্থানে চলে যান। বহু জায়গায় বহুতল ভবনগুলিতে কম্পন স্পষ্ট অনুভূত হওয়ায় মানুষের মধ্যে চরম উদ্বেগ দেখা যায়। যদিও এখনও পর্যন্ত কোনও হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি, তবে এই প্রাকৃতিক দুর্যোগে জনমনে ব্যাপক আতঙ্ক ছড়িয়েছে। শুধু ভারতেই নয়, প্রতিবেশী দেশ পাকিস্তান, চিন, তাজিকিস্তান, উজবেকিস্তান, কিরগিজস্তান এবং তুর্কমেনিস্তানেও এই কম্পন অনুভূত হয়েছে।

এর আগে শনিবার সকালেও পাকিস্তানে ৫.৫ মাত্রার ভূমিকম্প এবং হিমাচল প্রদেশের চাম্বায় ৩.২ মাত্রার মৃদু কম্পন অনুভূত হয়েছিল। ভেনেজুয়েলায় বিপর্যয়ের মধ্যেই বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে একের পর এক শক্তিশালী ভূমিকম্পের ঘটনা ঘটায় প্রাকৃতিক দুর্যোগ নিয়ে উদ্বেগ ক্রমশ বাড়ছে। বিশেষজ্ঞরা এই ধরনের ঘটনাগুলির উপর নিবিড় নজর রাখছেন। প্রশাসন পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে এবং যেকোনো জরুরি অবস্থার জন্য প্রস্তুত রয়েছে। সাধারণ মানুষকে সতর্ক থাকতে এবং গুজব এড়াতে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।