এভারেস্ট ফিসকারি মশলায় কীটনাশক!

everest fishcurry masala used ethylene oxide

Share:

ব্যুরো নিউজ,21 এপ্রিল: আপনি কি অত্যাধিক পরিমাণ গুঁড়ো মশলা ব্যবহার করেন। বিশেষ করে এভারেস্ট ফিসকারি মশলা কি সব সময় ব্যবহার করেন? তাহলে এবার থেকে একটু সাবিধান হোন। উল্লেখ্য, গত কয়েকদিন ধরেই বিভিন্ন খাদ্যপ্রস্তুতকারী সংস্থার বিরুদ্ধে নানা রকম অভিযোগ উঠছিল। শিশুখাদ্য সেরেল্যাকে অতিরিক্ত মাত্রায় চিনি মেশানোর অভিযোগ উঠছিল নেসলের বিরুদ্ধে। শুধু তাই নয় কেন্দ্রের তরফে বর্নভিটা-সহ একাধিক ‘হেলথ ড্রিঙ্ক’ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এবার সেই তালিকায় যুক্ত হল ভারতের মশলা প্রস্তুতকারক সংস্থা এভারেস্ট। এই সংস্থার ফিস কারি মশলায় নাকি কীটনাশক মেশানো হয়। হ্যাঁ, ঠিকই পড়ছেন। আর এই কারণেই এবার খাদ্য তালিকা থেকে বাতিল করল সিঙ্গাপুর সরকার।

বাচ্চাদের ফ্রিজের জল, কোল্ড ড্রিঙ্কস না খাইয়ে দিন ‘মৌরি মিছরি শরবত!’ নেই কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া

আমদানি বন্ধের নির্দেশ সিঙ্গাপুর সরকারের

উল্লেখ্য, ভারত থেকে প্রচুর পরিমাণ ফিসকারি মসলা আমদানি করে সিঙ্গাপুর। তবে এই বিষয়টি প্রকাশ্যে আসার পর সিঙ্গাপুর খাদ্য দপ্তরের পক্ষ থেকে এক বিবৃতি প্রকাশ করে জানানো হয়েছে, হংকং-এর খাদ্য নিরাপত্তা কেন্দ্র ভারত থেকে আনানো এভারেস্ট ফিস কারি মশলা আমদানি বন্ধের বিষয়ে একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে। যেহেতু ওই মশলায় অনুমোদিত মাত্রার চেয়ে অনেক বেশি ইথিলিন অক্সাইড রয়েছে সেই কারণে আমদানি বন্ধ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এখন প্রশ্ন উঠতে পারি এই ইথিলিন অক্সাইডটা কী? এটি কৃষিকাজে কীটনাশক হিসেবে ব্যবহার করা হয়। বেশ কিছু দেশে এটির ব্যবহার পুরোপুরি নিষিদ্ধ। যদিও কিছু কিছু জায়গায় এটি অনুমোদনযোগ্য পরিমাণে ব্যবহারের ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে। যদিও অভিযোগ এভারেস্ট ফিসকারি মশলায় অত্যাধিক পরিমাণ এটি ব্যবহার করা হয়। আর সেই কারণেই সিঙ্গাপুর সরকার ভারত থেকে এটি আমদানি বন্ধ করলো। শুধু তাই নয, এখনো পর্যন্ত যারা এই মশলা খেয়েছেন তাদের চিকিৎসার পরামর্শ দিয়েছে খাদ্য দফতর।