ব্যুরো নিউজ, ২৭ মে ২০২৬ঃ কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ দেশের সীমান্ত সুরক্ষায় এক যুগান্তকারী পদক্ষেপের ঘোষণা করেছেন। পাকিস্তান ও বাংলাদেশ সীমান্তে অনুপ্রবেশ এবং চোরাচালান সম্পূর্ণ বন্ধ করতে এক বিশেষ ‘চতুষ্কোণ নিরাপত্তা গ্রিড’ গড়ে তোলার পরিকল্পনা নিয়েছে মোদী সরকার। রাজস্থানের বিকানেরের কাছে ভারত-পাক সীমান্তের সাঞ্চু পোস্টে বিএসএফের এক বিশেষ সম্মেলনে ভাষণ দেওয়ার সময় শাহ এই মেগা প্ল্যানের কথা জানান। এই চার স্তরের নিরাপত্তা বলয়কে ভারত সীমান্ত সুরক্ষায় ‘তুরুপের তাস’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।
তাঁর ব্যাখ্যা অনুযায়ী, সীমান্ত রক্ষা কেবল একটি নির্দিষ্ট বাহিনীর দায়িত্ব নয়, এটি একটি সম্মিলিত আঞ্চলিক কর্তব্য। এই নতুন মডেলে চারটি স্তম্ভ একসঙ্গে কাজ করবে। প্রথমত, বিএসএফ দিনরাত সীমান্ত পাহারা দেবে এবং অবৈধ গতিবিধি রুখবে। দ্বিতীয়ত, সেনাবাহিনী বিএসএফের সঙ্গে সমন্বয় রেখে বড়সড় সামরিক বা কৌশলগত চ্যালেঞ্জগুলির মোকাবিলা করবে। তৃতীয়ত, সীমান্ত এলাকার পঞ্চায়েত বা পৌরসভার মতো স্থানীয় প্রশাসনিক বিভাগগুলির সঙ্গে সমন্বয় বজায় রাখবে স্থানীয় প্রশাসন। চতুর্থত, সীমান্ত ঘেঁষা গ্রামের বাসিন্দাদের জাতীয় সুরক্ষায় অংশীদার করা হবে, যাতে তাদের সজাগতা চোরাচালান ও অনুপ্রবেশ বন্ধ করতে সাহায্য করে।
শাহ আরও স্পষ্ট করেছেন যে, সীমান্ত সুরক্ষায় সাধারণ মানুষের সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। গ্রামবাসীদের অনুপ্রবেশ ও চোরাচালানের ক্ষতিকর দিকগুলি সম্পর্কে সচেতন করা হবে। বিএসএফের কার্যক্ষেত্র ১৫ কিলোমিটার থেকে বাড়িয়ে ৫০ কিলোমিটার করার উদ্দেশ্য ছিল গ্রামবাসীদের সঙ্গে নিরাপত্তা বাহিনীর সমন্বয় আরও পাকাপোক্ত করা। এছাড়াও, সীমানার কাছাকাছি যে কোনও সন্দেহজনক নির্মাণ রুখতে বিএসএফকে বিশেষ নির্দেশ দেওয়া হয়েছে এবং স্থানীয় জেলা প্রশাসনকে দ্রুত আইনি ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে।








