ব্যুরো নিউজ, ৪ নভেম্বর ২০২৬: কেরালায় এক চাঞ্চল্যকর ঘটনা সামনে এসেছে, যেখানে পকসো আইনে অভিযুক্ত এক ব্যক্তি নৃশংসভাবে হামলা চালিয়েছে নির্যাতিতার উপর। এই ঘটনা কেরালার আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, যৌন নির্যাতনে অভিযুক্ত মহম্মদ আদনান পকসো আইনের অধীনে অভিযুক্ত ছিল এবং জামিনে মুক্ত ছিল। ঘটনার সূত্রপাত হয় যখন অভিযুক্ত আদনান নির্যাতিতার বাড়িতে ঢুকে পড়ে। সেখানে সে ওই নাবালিকার উপর চরম অত্যাচার চালায়। সে ১৪ বছর বয়সী নাবালিকা নির্যাতিতার গলায় ছুরি চালানোর চেষ্টা করে। এক প্রত্যক্ষদর্শীর বিবরণ অনুযায়ী, “আমি দেখলাম, মেয়েটির গলায় ছুরি ঠেকিয়ে তাকে টেনে ঘর থেকে বের করে আনা হচ্ছে। আমি কাছে গিয়ে আক্রমণকারীকে থামাতে সক্ষম হলাম। এই ধস্তাধস্তির সময় ছুরির আঘাতে আমি আহত হই। তবে আমি মেয়েটিকে বাঁচাতে পেরেছি।”
এই ঘটনার পর থেকেই এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারা এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন এবং দোষীর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করেছেন। পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে।
ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে কিন্তু কেন অভিযুক্ত জামিনে মুক্ত ছিল, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। এই ধরনের ঘটনা সমাজে মহিলাদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ বাড়াচ্ছে। প্রশাসন এই বিষয়ে কঠোর পদক্ষেপ নেবে বলে আশা করা হচ্ছে।
এই ঘটনা পকসো আইনের প্রয়োগ এবং অভিযুক্তদের জামিন দেওয়ার প্রক্রিয়া নিয়েও নতুন করে ভাবনার জন্ম দিয়েছে। নির্যাতিতার পরিবার ন্যায়বিচারের আশায় দিন গুনছে। এই নৃশংস হামলার ফলে নির্যাতিতার শারীরিক অবস্থা গুরুতর বলে জানা গেছে।








