ব্যুরো নিউজ, ১৪ অক্টোবর ২০২৬: “মাছি মারতে হাতুড়ি লাগে না”- দেশের প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্তের এই মন্তব্যকে ব্যঙ্গ করে এবার জন্ম নিল এক নতুন সংগঠন, ‘মাছি জনতা পার্টি’।
সম্প্রতি ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিবাদ কর্মসূচির আগে দিল্লিকে দুর্গে পরিণত করা হয়েছিল। গুরুত্বপূর্ণ মেট্রো স্টেশনও বন্ধ করে দেওয়া হয়। দিল্লি পুলিশের এই কড়া নিরাপত্তার বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে একটি মামলার শুনানি চলছিল। সেই শুনানিতেই প্রধান বিচারপতির ওই মন্তব্য ঘিরে বিতর্কের সূত্রপাত হয়।
মঙ্গলবার এমজেপি দাবি করেছে, মাত্র ৭২ ঘণ্টার মধ্যে ইনস্টাগ্রামে তাদের অনুগামীর সংখ্যা ৩ লক্ষ ৩০ হাজার ছাড়িয়ে গিয়েছে। জানা গিয়েছে, এই ‘মাছি জনতা পার্টি’-র প্রতিষ্ঠাতা আরিয়ান নামে এক পড়ুয়া। সংগঠনটি বর্তমানে একজন মুখপাত্রের সন্ধান করছে বলেও জানিয়েছে। তাদের সাম্প্রতিক একটি পোস্টে এমজেপি প্রশ্ন তুলেছে, গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় নাগরিকদের কি একদিন ‘আরশোলা’ আর পরদিন ‘মাছি’ বলে অভিহিত করা উচিত?
এমজেপি স্পষ্ট জানিয়েছে, তারা কোনও রাজনৈতিক দলের বিরোধী বা কোনও দলের সঙ্গে যুক্ত নয়। বরং তারা নাগরিকদের মর্যাদা ও অধিকারের জন্য লড়াই করছে। তাদের স্লোগান হল – ‘তরুণদের দ্বারা, তরুণদের জন্য এবং তরুণদের।’
দেশের সর্বোচ্চ আদালতের প্রধান বিচারপতির মন্তব্যকে কেন্দ্র করে এই নতুন সংগঠনের জন্মের ঘটনা দেশের বিচারব্যবস্থা ও নাগরিক সমাজের মধ্যে সম্পর্ক এবং বাক স্বাধীনতা নিয়ে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। দেশের তরুণ প্রজন্মের মধ্যে এই ধরনের প্রতিবাদী মনোভাবের বিস্তার গণতন্ত্রের পক্ষে এক নতুন বার্তা বহন করছে।








