নিউজ ব্যুরো, ৩০ জুন ২০২৬: পাঞ্জাবে বিদ্যুৎ সংকট ক্রমশ গভীর হচ্ছে, যা রাজ্যজুড়ে কৃষকদের মধ্যে তীব্র অসন্তোষ সৃষ্টি করেছে। বিদ্যুতের চাহিদা রেকর্ড উচ্চতার কাছাকাছি পৌঁছানোয় কৃষিক্ষেত্র মারাত্মকভাবে প্রভাবিত হচ্ছে, যার ফলে কৃষকরা রাজ্যব্যাপী বিক্ষোভে নেমেছেন।
২০২৭ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে এই পরিস্থিতি রাজ্য সরকারের জন্য এক বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। সাম্প্রতিক তাপপ্রবাহের কারণে পাঞ্জাবে বিদ্যুতের চাহিদা অস্বাভাবিকভাবে বেড়েছে। বিশেষ করে কৃষি কাজে সেচের জন্য বিদ্যুতের সরবরাহ অত্যন্ত জরুরি, কিন্তু পর্যাপ্ত বিদ্যুৎ না পাওয়ায় কৃষকরা ক্ষুব্ধ। বিভিন্ন কৃষক সংগঠন একত্রিত হয়ে রাজ্যজুড়ে প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করছে, যেখানে তারা নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহের দাবি জানাচ্ছে।
তাদের অভিযোগ, সরকার কৃষকদের চাহিদা পূরণে ব্যর্থ হচ্ছে, যা ফসলের উৎপাদন ব্যাহত করছে। বিদ্যুৎ বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, রাজ্যের বিদ্যুৎ গ্রিডের উপর ব্যাপক চাপ সৃষ্টি হয়েছে। চাহিদা মেটাতে হিমশিম খাচ্ছে বিদ্যুৎ সরবরাহকারী সংস্থাগুলি। এই সংকটের কারণে কেবল কৃষিক্ষেত্রই নয়, সাধারণ জনজীবনও ব্যাহত হচ্ছে। ঘন ঘন লোডশেডিং এবং বিদ্যুতের অভাবে শিল্প ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানগুলিও ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই বিদ্যুৎ সংকট এবং কৃষকদের বিক্ষোভ আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে একটি গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু হয়ে উঠতে পারে। বিরোধী দলগুলি এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে সরকারের বিরুদ্ধে চাপ বাড়াচ্ছে। সরকারের উপর দ্রুত এই সমস্যার সমাধান করার জন্য চাপ ক্রমশ বাড়ছে, অন্যথায় এর রাজনৈতিক মূল্য দিতে হতে পারে।








