”সুন্দরবনের পুকুরে সোনালি রঙের সাপ! ক্যাপ কোবরা ঘিরে হিঙ্গলগঞ্জের কনকনগরে চাঞ্চল্য”

Share:

ব্যুরো নিউজ ১৫ অক্টোবর:

হিঙ্গলগঞ্জ, ১৫ অক্টোবর:

উত্তর ২৪ পরগনার বসিরহাট মহকুমার হিঙ্গলগঞ্জের কনকনগরে পুকুর থেকে উদ্ধার হওয়া সোনালি-হলুদ রঙের একটি সাপকে ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়। স্থানীয় সূত্রে খবর, সাপটির দৈর্ঘ্য প্রায় পাঁচ ফুট। অচেনা সাপটিকে দেখতে পুকুরপাড়ে ভিড় জমান স্থানীয় বাসিন্দা থেকে শুরু করে স্কুলপড়ুয়ারাও। সাপটি ক্যাপ কোবরা বলে দাবি করা হলেও, বন দপ্তর বা বিশেষজ্ঞদের তরফে এখনও তার প্রজাতি নিশ্চিত করা হয়নি।

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, কনকনগরের বাসিন্দা বাবুরাম মণ্ডলের পুকুরে সাপটির দেখা মেলে বৃহস্পতিবার সকালে।

ওই সময় পুকুরে মাংস ধুতে গিয়েছিলেন তিনি। অভিযোগ, আচমকাই সাপটি তাঁর দিকে এগিয়ে আসে। সাপটির এমন ভঙ্গি দেখে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন বাবুরাম। কোনওরকমে পুকুর থেকে উঠে এসে তিনি প্রাণে বাঁচেন বলে দাবি। পরে মাংসের টোপ দিয়ে ছিপের সাহায্যে সাপটিকে ধরে ফেলেন বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে।

সাপটি ধরা পড়ার খবর ছড়িয়ে পড়তেই ঘটনাস্থলে ভিড় জমতে শুরু করে। সোনালি-হলুদ রঙের সাপটি দেখতে উৎসুক মানুষের মধ্যে কৌতূহল তৈরি হয়। অনেকে মোবাইল ফোনে সাপটির ছবি তোলেন। স্থানীয় বাসিন্দা অঞ্জলি মণ্ডল ও রূপা মৃধা জানান, সাপটির চেহারা আকর্ষণীয় হলেও সেটিকে ঘিরে আতঙ্ক রয়েছে। তাঁদের দাবি, দীর্ঘদিন ধরেই পুকুরে সাপটির উপস্থিতি ছিল। পুকুরে আরও সাপ রয়েছে কি না, তা নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন তাঁরা।

ঘটনার খবর বন দপ্তরকে জানানো হয়েছে। বনকর্মীরা এসে সাপটিকে উদ্ধার করবেন, সেই অপেক্ষায় রয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

তবে সাপটি সত্যিই ক্যাপ কোবরা কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়। শুধু রং বা বাহ্যিক চেহারা দেখে সাপের প্রজাতি নির্ধারণ করা সম্ভব নয়। বিশেষজ্ঞদের পরীক্ষা ছাড়া এ বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া উচিত নয়। সাপটি বিষধর হতে পারে, তাই সেটির কাছে যাওয়া বা নিজে থেকে ধরার চেষ্টা না করে নিরাপদ দূরত্ব বজায় রাখার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।