ব্যুরো নিউজ, ১ অগাস্ট ২০২৬ঃ রাজ্য পুলিশের স্পেশাল টাস্ক ফোর্স (STF)-এর হাতে গ্রেফতার হলেন আন্তর্জাতিক জঙ্গি সংগঠন জইশ-ই-মহম্মদ (JeM)-এর সদস্য হামিম মণ্ডলের ঘনিষ্ঠ বান্ধবী অর্পিতা সরকার। এই মামলায় এটি দ্বিতীয় গ্রেফতারি। ঝাড়খণ্ডের সাহেবগঞ্জ থেকে তাকে পাকড়াও করা হয়েছে। হামিমের ফোনের সূত্র ধরে এবং টাওয়ার লোকেশন মিলিয়ে অর্পিতাকে গ্রেফতার করা হয়। সূত্রের খবর, শাহজাদ গোষ্ঠী, আইএসআই-সহ পাকিস্তানের একাধিক জঙ্গিগোষ্ঠীর সঙ্গে অর্পিতার সরাসরি যোগ ছিল। সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে পাকিস্তান থেকে তার কাছে নির্দেশ আসত।
জানা গিয়েছে, বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্বদের হানি ট্র্যাপের মাধ্যমে অপহরণের অ্যাসাইনমেন্ট দেওয়া হয়েছিল অর্পিতাকে। যদিও, এখনও পর্যন্ত কোনও অপহরণের ঘটনা ঘটেছে কিনা, তা স্পষ্ট নয়। সেই দিকটিই এখন এসটিএফের তদন্তের প্রধান বিষয়। আজই অর্পিতাকে আদালতে পেশ করা হবে। পুলিশ মনে করছে, হামিম ও অর্পিতা ছাড়াও এই চক্রে আরও অনেকে জড়িত। তাদের খুঁজে বার করতে তদন্তের জাল আরও ছড়াচ্ছে এসটিএফ। এর আগে পূর্ব বর্ধমানের রেনেসাঁ কমপ্লেক্স থেকে হামিম মণ্ডলকে গ্রেফতার করা হয়েছিল।
এসটিএফ সূত্রে জানা যায়, হামিম পুলওয়ামা হামলার অন্যতম মূল চক্রী সাজ্জাদ ভাটের ঘনিষ্ঠ। প্রাথমিক তদন্তে উঠে এসেছে যে, হামিম নিউটাউনে মুখ্যমন্ত্রীর বাসভবনের কাছে ভাড়া থাকতেন এবং মুখ্যমন্ত্রীর গতিবিধির উপর নজর রাখতেন। মুখ্যমন্ত্রী নিজেও জানিয়েছিলেন যে, তিনি ছাড়াও রাজ্যের প্রতিমন্ত্রী উমেশ রাই-সহ আরও ভিআইপিরা জঙ্গিদের নিশানায় ছিলেন। বাজেয়াপ্ত হওয়া ডিজিটাল ডিভাইসগুলির ফরেনসিক পরীক্ষা চলছে। অর্পিতার গ্রেফতারির পর হানি ট্র্যাপের দায়িত্ব নিয়ে নতুন তথ্য সামনে আসার অপেক্ষায় তদন্তকারীরা।








