নভেম্বর-ডিসেম্বরেই রাজ্যের পুরভোট, দ্রুত প্রস্তুতি শুরুর নির্দেশ দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী

মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর নির্দেশে নভেম্বর-ডিসেম্বরেই কলকাতা-সহ রাজ্যের বকেয়া পুরসভাগুলিতে ভোট। দ্রুত ওয়ার্ড পুনর্বিন্যাস ও আসন সংরক্ষণের প্রক্রিয়া শুরু।

Share:

ব্যুরো নিউজ, ২৫ মে ২০২৬ঃ বিধানসভা নির্বাচনের রেশ কাটতে না কাটতেই এবার রাজ্যের পুরভোটের দামামা বাজিয়ে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। নবান্ন সূত্রে খবর, আগামী নভেম্বর থেকে ডিসেম্বরের মধ্যেই কলকাতা-সহ রাজ্যের বকেয়া পুরসভাগুলির নির্বাচন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে চাইছে নতুন সরকার। এই লক্ষ্যে ওয়ার্ড পুনর্বিন্যাস (ডিলিমিটেশন) এবং আসন সংরক্ষণ (রিজার্ভেশন) প্রক্রিয়া দ্রুত এগিয়ে রাখার জন্য প্রশাসনকে নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। নতুন রাজ্য সরকারের কাছে এই বিপুল কর্মযজ্ঞ নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে শেষ করা এক মস্ত বড় চ্যালেঞ্জ। কারণ, রাজ্য নির্বাচন কমিশন এই মুহূর্তে কার্যত অভিভাবকহীন। গত বছরের সেপ্টেম্বর মাসে তৎকালীন রাজ্য নির্বাচন কমিশনার পদ থেকে সরে যাওয়ার পর এখনও সেই পদে নতুন কেউ নিয়োগ হননি।

এই শূন্যতার মধ্যেই দ্রুত সীমানা পুনর্গঠন ও ভোটপ্রক্রিয়া চালানো সম্ভব কিনা, তা নিয়েও চিন্তা থাকছে। বর্তমানে রাজ্যের ১২টি জেলার মোট ১৫টি পুরসভায় কোনও নির্বাচিত পুরবোর্ড নেই। দীর্ঘদিন ধরে সেখানে প্রশাসক বসিয়েই পুর পরিষেবা চালানো হচ্ছে। এর মধ্যে সবচেয়ে চর্চিত এবং নজরে থাকা এলাকাটি হল হাওড়া, যেখানে গত ১৩ বছর ধরে কোনও ভোট হয়নি। মন্ত্রিসভা গঠনের পরেই এই বিষয়টি নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে জরুরি বৈঠক করেন রাজ্যের পুর ও নগরোন্নয়নমন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল।

তিনি জানান, হাওড়া-সহ রাজ্যের সব ক’টি পুরসভার নির্বাচন নিয়েই মুখ্যমন্ত্রী দ্রুত বৈঠক করবেন এবং সিদ্ধান্ত নেবেন। মুখ্যমন্ত্রী নির্দেশ দিয়েছেন, এই বছরের ডিসেম্বরের মধ্যেই হাওড়া ও বালি পুরসভায় ভোট নেওয়া হবে। এছাড়াও দুর্গাপুর, ডোমকল, রায়গঞ্জ, বুনিয়াদপুর, পূজালি, কার্শিয়াং, মিরিক, কালিম্পং, পাঁশকুড়া, হলদিয়া, কুপার্স ক্যাম্প, নলহাটি এবং ধূপগুড়ি পুরসভার ভোটও বাকি রয়েছে।