ব্যুরো নিউজ, ৪ আগস্ট ২০২৬ঃ পশ্চিমবঙ্গের বেসরকারি কর্মচারীদের জন্য পেশাগত কর (Professional Tax বা পি-ট্যাক্স) সংক্রান্ত নিয়মে বড়সড় বদল আনল রাজ্য সরকার। নবনির্বাচিত অর্থমন্ত্রী স্বপন দাশগুপ্তের ঘোষণা অনুযায়ী, এবার থেকে বেসরকারি কর্মীর কর্মস্থল পশ্চিমবঙ্গে হলে, তাঁর পি-ট্যাক্স রাজ্যের কোষাগারেই জমা পড়বে, সংস্থাটির মূল অফিস বা হেডকোয়ার্টার ভিন রাজ্যে হলেও। রাজ্যের রাজস্ব বৃদ্ধি এবং কয়েক লক্ষ কোটি টাকার ঋণের বোঝা কমানোর লক্ষ্যেই এই গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। এতদিন পর্যন্ত নিয়ম ছিল যে, যদি কোনো বেসরকারি সংস্থার প্রধান কার্যালয় পশ্চিমবঙ্গের বাইরে থাকত, তাহলে সেই সংস্থায় কর্মরত কর্মীদের পি-ট্যাক্স ভিন রাজ্যের কোষাগারেই জমা পড়ত। কিন্তু অর্থমন্ত্রীর নতুন ঘোষণায় এই নিয়মের পরিবর্তন ঘটল।
অর্থ বিলে প্রয়োজনীয় সংশোধনী এনে এই নতুন নিয়ম কার্যকর করা হচ্ছে। এর ফলে রাজ্যের রাজস্ব আদায় অনেকটাই বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে। অর্থমন্ত্রী স্বপন দাশগুপ্ত তাঁর প্রথম বাজেটেই সরকারি কর্মচারীদের ডিএ বৃদ্ধি সহ একাধিক জনকল্যাণমূলক প্রকল্পের ঘোষণা করেছিলেন। এবার রাজস্ব আদায়ে জোর দিতে বেসরকারি খাতের কর্মীদের পি-ট্যাক্স নিয়ে এই বড় সিদ্ধান্ত নিলেন। তাঁর কথায়, “সরকারি কর্মচারী কমছে, কিন্তু প্রাইভেটে কর্মী বাড়ছে। তাই রাজ্যের ক্ষেত্রে আমরা এটা করলাম।” সরকারের এই পদক্ষেপ অসংগঠিত ক্ষেত্রের কর্মীদের সংগঠিত ব্যবস্থার আওতায় আনতেও সহায়ক হবে বলে মনে করা হচ্ছে। প্রতিটি সংস্থাকে এখন থেকে পি-ট্যাক্স জমা দেওয়ার সময় জানাতে হবে যে সেই সংস্থায় কতজন পি-ট্যাক্স দেওয়ার মতো কর্মচারী রয়েছেন।








