ব্যুরো নিউজ, ৭ জুন ২০২৬ঃ রাজ্য সরকারি কর্মীদের মহার্ঘ ভাতা (ডিএ) বৃদ্ধির স্থায়ী নির্দেশনামা জারির দাবিতে সরগরম রাজ্য রাজনীতি। সম্প্রতি নবনির্বাচিত মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে সরকারি কর্মচারী সংগঠনগুলির বৈঠকে এই জোরালো দাবি তোলা হয়। এর আগে একাধিকবার এই দাবি উঠলেও তা পূরণ হয়নি। এবার নতুন সরকারের কাছে স্থায়ী নির্দেশনামার জন্য আর্জি জানানো হয়েছে। যদিও সরকারের তরফে এই বিষয়ে কোনো নির্দিষ্ট আশ্বাস মেলেনি।
তবে মুখ্যমন্ত্রী কর্মীদের ষষ্ঠ বেতন কমিশনের ভিত্তিতে থাকা বকেয়া ডিএ নিয়ে আগামী ২২ জুন পেশ হতে চলা রাজ্য বাজেটে সুখবর আসার ইঙ্গিত দিয়েছেন। সরকারি কর্মী ও পেনশনভোগী সংগঠনগুলির মতে, মহার্ঘ ভাতা সংক্রান্ত একটি স্থায়ী নির্দেশনামা থাকলে সরকারের উপর একসঙ্গে এতটা আর্থিক চাপ পড়ত না। স্থায়ী নির্দেশনামা না-থাকলে পরবর্তীকালেও একই সমস্যা দেখা দেবে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন তাঁরা। বর্তমানে কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীরা সপ্তম পে কমিশনের আওতায় ৬০ শতাংশ হারে ডিএ পেলেও, রাজ্যের কর্মীরা ষষ্ঠ পে কমিশনের আওতায় মাত্র ১৮ শতাংশ হারে ডিএ পাচ্ছেন।
ফলে ৪২ শতাংশ ডিএ বকেয়া রয়েছে। সংগ্রামী যৌথ মঞ্চ, দ্য কনফেডারেশন অব স্টেট গভর্নমেন্ট এমপ্লয়িজ (INTUC), ইউনিটি ফোরাম (অরাজনৈতিক) এবং সরকারি কর্মচারী পরিষদ সহ একাধিক সংগঠন এই বৈঠকে উপস্থিত ছিল। বৈঠকের পর কনফেডারেশন অব স্টেট গভর্নমেন্ট এমপ্লয়িজের সাধারণ সম্পাদক মলয় মুখোপাধ্যায় জানান, মুখ্যমন্ত্রীর আশ্বাসে তাঁরা আশা করছেন যে প্রথম দফায় বকেয়া ডিএর অন্তত অর্ধেক মিটিয়ে দেওয়া হবে।
তিনি আরও জানান, রাজ্যে ইতিমধ্যেই সপ্তম পে কমিশনের ঘোষণা হয়েছে এবং আগামী বছরের জানুয়ারি থেকে এর সুপারিশ দেওয়া হবে। সেক্ষেত্রে পুরো বকেয়া ডিএ আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে মিটিয়ে দেওয়া হবে বলে মনে করা হচ্ছে। মলয়বাবু হুঁশিয়ারি দিয়েছেন যে, সর্বভারতীয় মূল্যসূচক অনুযায়ী ডিএ না মিললে তাঁরা ফের আইনি লড়াইয়ের পথে যাবেন।








