ব্যুরো নিউজ, ১৬ জুন ২০২৬ঃ রাজ্যের খাদ্য ও সরবরাহ দপ্তরে কর্মীদের বদলিকে কেন্দ্র করে বড়সড় আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনার একাধিক আধিকারিকের পোস্টিং ও বদলির ক্ষেত্রে বিপুল অর্থ লেনদেনের অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। এই গুরুতর অভিযোগ সামনে আসার পর রাজ্যের খাদ্যমন্ত্রী অশোক কীর্তনীয়া দ্রুত তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন। জানা গেছে, এই বদলি দুর্নীতির বিষয়ে খাদ্যদপ্তরের প্রিন্সিপাল সেক্রেটারি এবং ডিরেক্টরের কাছে লিখিত অভিযোগ জমা পড়েছে। রানাঘাটের বিজেপি সাংসদ জগন্নাথ সরকার এই অভিযোগপত্রটি জমা দেন।
অভিযোগকারীদের দাবি, বদলির জন্য বিভিন্ন কর্মীর কাছ থেকে মোটা অঙ্কের টাকা নেওয়া হয়েছে। একটি কর্মচারী সংগঠনের প্রভাব বলয়ের মধ্যে থেকেই এই কার্যকলাপ চলত বলে অভিযোগ। অভিযোগপত্রে মিন্টু বাগচী, ইউডিসি দেবাশিস রায় এবং নিলয় চক্রবর্তী সহ বেশ কয়েকজনের নাম উঠে এসেছে, যারা এই চক্রের সঙ্গে যুক্ত। প্রতাপ নায়েকের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ রেখে এই গোষ্ঠী কাজ করত বলেও উল্লেখ। কর্মীদের বদলির আতঙ্ক দেখিয়ে টাকা তোলা হতো এবং সেই অর্থ তৎকালীন শাসকদলের তহবিলে ‘অনুদান’ হিসেবে পাঠানো হয়েছে বলেও দাবি। সুজিত চক্রবর্তী নামে এক অভিযোগকারী পূর্ণাঙ্গ তদন্তের আবেদন জানিয়েছেন।
এই প্রসঙ্গে খাদ্যমন্ত্রী অশোক কীর্তনীয়া জানিয়েছেন, অভিযোগ তাঁর হাতে পৌঁছামাত্র সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু হবে। তিনি আরও বলেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আমলে যেভাবে দুর্নীতি হয়েছে, তা এই আমলে হবে না। স্বজনপোষণ বা দুর্নীতিতে জিরো টলারেন্স এই সরকারের নীতি। দুর্নীতির সঙ্গে আপসের প্রশ্ন নেই।” রানাঘাটের সাংসদ জগন্নাথ সরকারও এই দুর্নীতির তদন্তের দাবি জানিয়েছেন।







