ব্যুরো নিউজ, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬: নন্দীগ্রাম বিধানসভা উপনির্বাচনে কংগ্রেসের প্রার্থী মিলন প্রধানকে ১৪ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দিল কাঁথি মহকুমা আদালত। পুরাতন মামলায় গত শুক্রবার নাটকীয়ভাবে গ্রেপ্তার হওয়া এই কংগ্রেস নেতাকে বুধবার কাঁথি আদালতে পেশ করা হয়। বিচারক উভয় পক্ষের সওয়াল-জবাব শোনার পর আগামী ০৭/০৯/২০২৬ পর্যন্ত জেল হেফাজতের নির্দেশ দেন। এই রায় ঘোষণার পর রাজনৈতিক মহলে তীব্র চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। উল্লেখ্য, গত শুক্রবার পুরানো একটি মামলায় পুলিশ মিলন প্রধানকে গ্রেপ্তার করে।
তাঁর বিরুদ্ধে খুন, বেআইনি জমায়েত, লুটপাট সহ নন্দীগ্রাম থানায় তিনটি এবং খেজুরি থানায় একটি, মোট চারটি মামলা রুজু হয়েছিল। এই মামলাগুলি ২০০৭ সালের ঘটনার সময়কার। সেই সময়কার রাজনৈতিক অস্থিরতার পরিপ্রেক্ষিতে এই মামলাগুলি দায়ের হয়েছিল বলে জানা যায়। গত ১৯ সেপ্টেম্বর শনিবার মিলন প্রধানকে নন্দীগ্রামের তিনটি মামলায় হলদিয়া মহকুমা আদালতে পেশ করা হয়েছিল। সেখানকার বিচারপতি তাঁকে ৩ অক্টোবর পর্যন্ত জেল হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছিলেন। সেই নির্দেশের পর এবার খেজুরি থানার মামলায় তাঁকে কাঁথি মহকুমা আদালতে পেশ করা হয়। কংগ্রেসের পক্ষ থেকে এই গ্রেপ্তারকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে অভিযোগ করা হয়েছে। তাদের দাবি, আসন্ন উপনির্বাচনে কংগ্রেস প্রার্থীর প্রভাব খর্ব করতেই শাসক দল এই কৌশল নিয়েছে। উপনির্বাচনের ঠিক আগে একজন প্রার্থীর গ্রেপ্তার এবং দীর্ঘমেয়াদী জেল হেফাজতের নির্দেশ রাজনৈতিক চাপানউতোর আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। এই ঘটনার জেরে নন্দীগ্রাম উপনির্বাচনের প্রচারের গতিপ্রকৃতিতেও প্রভাব পড়তে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। বিরোধী দলগুলি এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে এবং অবিলম্বে মিলন প্রধানের মুক্তির দাবি তুলেছে। আদালত অবশ্য সমস্ত দিক বিবেচনা করেই এই নির্দেশ দিয়েছে বলে জানা গেছে।








