সীমান্তে অনুপ্রবেশ রুখতে কড়া নবান্ন, বিএসএফকে বিশেষ দায়িত্ব সহ দেড় মাসের ডেডলাইন

অনুপ্রবেশ রুখতে নবান্নের কড়া পদক্ষেপ। বিএসএফকে বিশেষ দায়িত্ব ও দেড় মাসের ডেডলাইন। সীমান্তে নজরদারি জোরদার, তথ্য আদান-প্রদানে গতি আনার নির্দেশ।

Share:

ব্যুরো নিউজ, ৪ জুন ২০২৬ : পশ্চিমবঙ্গ-বাংলাদেশ সীমান্তে অনুপ্রবেশ রুখতে এবার কড়া পদক্ষেপ নিল নবান্ন। আন্তর্জাতিক সীমান্তে নজরদারি আরও জোরদার করতে প্রশাসনিক স্তরে এক বড়সড় উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সম্প্রতি নবান্নে একটি উচ্চপর্যায়ের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে রাজ্যের স্বরাষ্ট্র সচিব, সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)-এর শীর্ষ আধিকারিকরা, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের প্রতিনিধি এবং সীমান্তবর্তী জেলাগুলির প্রশাসনিক প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন। এই বৈঠকে সীমান্ত সুরক্ষাকে নিশ্ছিদ্র করতে একটি সুসংগঠিত অ্যাকশন প্ল্যান তৈরির সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে।

এই ‘মাস্টারপ্ল্যান’ তৈরির মূল দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে বিএসএফ-এর ওপর। বিএসএফ সীমান্ত সুরক্ষার খুঁটিনাটি খতিয়ে দেখে এই রূপরেখা চূড়ান্ত করবে। এরপর সেই অ্যাকশন প্ল্যান প্রতিটি সীমান্তবর্তী জেলার প্রশাসনের কাছে পাঠানো হবে। তবে শুধু পরিকল্পনা পাঠানোই নয়, জেলাগুলিকে নির্দিষ্ট সময়সীমা বা ডেডলাইন বেঁধে দেওয়া হয়েছে, যার মধ্যে এই সুরক্ষাবিধি অক্ষরে অক্ষরে বাস্তবায়ন করতে হবে। মূলত, সীমান্ত সংলগ্ন দুর্গম এলাকাগুলিতে নজরদারি দ্বিগুণ করা, সন্দেহজনক গতিবিধিতে দ্রুত পদক্ষেপ, স্থানীয় প্রশাসন ও নিরাপত্তা বাহিনীর মধ্যে সমন্বয় বৃদ্ধি এবং অনুপ্রবেশ সংক্রান্ত গোয়েন্দা তথ্য আদান-প্রদানের প্রক্রিয়াকে আরও গতিশীল করার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।

সূত্রের খবর, আগামী এক থেকে দেড় মাসের মধ্যেই এই পরিকল্পনাকে ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে পুরোপুরি কার্যকর করার লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে। বিএসএফ আধিকারিকরা সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, দেশের ও রাজ্যের নিরাপত্তার স্বার্থে এই পরিকল্পনা রূপায়ণে বিন্দুমাত্র ঢিলেমি বরদাস্ত করা হবে না। সীমান্তবর্তী জেলাগুলির পুলিশ ও প্রশাসনকে দ্রুত পরিকাঠামো গোছানোর কড়া নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।