বন্ধ খনিতে এবার রেশম চাষের পরিকল্পনা; বাংলার বস্ত্রশিল্পে নতুন প্রাণসঞ্চারের বার্তা কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর

বন্ধ খনির জমিতে রেশম চাষের পরিকল্পনা রাজ্যের বস্ত্রশিল্পে নতুন ইকোসিস্টেম তৈরি করবে বলে বার্তা কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর।

Share:

ব্যুরো নিউজ, ৭ নভেম্বর ২০২৬: রাজ্যের বস্ত্রশিল্পকে নতুন দিশা দেখাতে বড় পদক্ষেপ নিল কেন্দ্র সরকার। এবার বন্ধ হয়ে যাওয়া কয়লাখনিগুলির পতিত জমিতে শুরু হবে রেশম চাষ। এই উদ্যোগের মাধ্যমে একটি সম্পূর্ণ নতুন শিল্প ইকোসিস্টেম তৈরি করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে, যেখানে তুঁত চাষ থেকে শুরু করে রেশমের সুতো তৈরি এবং সবশেষে বস্ত্র উৎপাদন পর্যন্ত সমস্ত প্রক্রিয়া একটি ছাদের তলায় আনা হবে।

কেন্দ্রীয় বস্ত্রমন্ত্রী গিরিরাজ সিং আসানসোলের জামুরিয়া শিল্পাঞ্চলে একটি বস্ত্র কারখানা পরিদর্শনে এসে এই পরিকল্পনার কথা জানান। মন্ত্রী জানান, কেন্দ্রের নতুন নীতি ও বস্ত্রশিল্পের প্রসারের হাত ধরে বাংলার অর্থনীতিতে নতুন জোয়ার আসবে এবং বিপুল কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হবে। তিনি বলেন, “কৃষির পরেই কর্মসংস্থানের সবচেয়ে বড় ক্ষেত্র হল বস্ত্রশিল্প। প্রতি এক কোটি টাকা বিনিয়োগে প্রায় ৫০-৬০ জনের কর্মসংস্থান হতে পারে।”

তিনি আরও অভিযোগ করেন যে, দীর্ঘদিনের ইউনিয়ন সংস্কৃতি, কাটমানি ও তোলাবাজির জেরে বাংলার অর্থনীতি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। পশ্চিম বর্ধমানের জেলাশাসক এস পেন্নাবলম জানান, সেন্ট্রাল সিল্ক বোর্ডের প্রস্তাব অনুযায়ী, বন্ধ খনির জমিতে মালবেরি চাষের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এই কাঁচামাল ব্যবহার করে রেশমের সুতো ও কাপড় তৈরি করা হবে। এই পুরো প্রক্রিয়াটি একটি শিল্প ক্লাস্টারের আওতায় আনা হবে, যা রাজ্যের শিল্পক্ষেত্রে এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে বলে আশা করা হচ্ছে।