সিপিএমের বুকস্টল ভাঙচুরে ‘৪ মের পর বিজেপিতে আসা অতি উৎসাহীরাই দায়ী’, বিস্ফোরক সুভাষ সরকার

সিপিএমের বুকস্টল ভাঙচুর নিয়ে বিস্ফোরক প্রাক্তন বিজেপি সাংসদ সুভাষ সরকার। তাঁর দাবি, ৪ মে-র পর বিজেপিতে আসা অতি-উৎসাহীরাই এই ঘটনার জন্য দায়ী। বিতর্কের ঝড় রাজ্যে।

Share:

ব্যুরো নিউজ, ২১ অক্টোবর ২০২৬: পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন প্রান্তে দুর্গাপূজার নবমীর দিন বামেদের বইয়ের স্টল ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে। সিপিএমের পক্ষ থেকে এই হামলার জন্য শাসকদল বিজেপিকে দায়ী করা হলেও, এবার এই ঘটনায় বিস্ফোরক মন্তব্য করলেন প্রাক্তন বিজেপি সাংসদ ডা. সুভাষ সরকার।

তিনি দাবি করেছেন, “৪ তারিখের পর যারা বিজেপিতে এসেছে, তারাই অতি উৎসাহী। নিজেদের বিজেপির কর্মী হিসেবে প্রমাণ করতে গিয়েই সিপিএমের বুক স্টল ভাঙচুর করেছে তারা। এই ঘটনার সঙ্গে প্রকৃত বিজেপির কোনও যোগ নেই।”

পূজার মরসুমে বামেরা প্রতি বছর বিভিন্ন এলাকায় বইয়ের স্টল বসিয়ে থাকে। এবার উত্তর থেকে দক্ষিণবঙ্গ জুড়ে একাধিক জায়গায় এই ধরনের স্টল ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে। সিপিএমের অভিযোগ, বিজেপির মদতপুষ্ট দুষ্কৃতীরাই এই হামলা চালাচ্ছে। যদিও শাসকদলের পক্ষ থেকে এই অভিযোগ অস্বীকার করা হচ্ছে। এই আবহে সুভাষ সরকারের মন্তব্য নতুন করে বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।

তিনি স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে, এই ধরনের কার্যকলাপের সঙ্গে বিজেপির মূল কর্মীদের কোনও সম্পর্ক নেই, বরং নতুন যোগদানকারীরাই এমন কাজ করছে। এই ঘটনা রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছে। একদিকে যখন বামেরা তাদের সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক কর্মসূচিতে বাধা দেওয়ার অভিযোগ তুলছে, তখন বিজেপির প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর এই মন্তব্য দলের আভ্যন্তরীণ বিভাজনকেও সামনে এনেছে। প্রশ্ন উঠছে, দল কি তার নতুন সদস্যদের কার্যকলাপ নিয়ন্ত্রণ করতে পারছে না? এই বিতর্ক আগামী দিনে আর কোনদিকে মোড় নেয়, সেটাই এখন দেখার।