ব্যুরো নিউজ, ৩১ জুলাই ২০২৬ঃ পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের স্পেশাল টাস্ক ফোর্স (এসটিএফ) কর্তৃক বর্ধমান থেকে এক জইশ-ই-মহম্মদ জঙ্গিকে গ্রেপ্তারের ঘটনায় রাজ্যজুড়ে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। ধৃত হামিদ মণ্ডল রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীকে হামলার ছক কষছিল বলে এসটিএফ সূত্রে খবর। এই বিস্ফোরক দাবি প্রকাশ্যে আসার পর বিষয়টি নিয়ে প্রথমবার মুখ খুলেছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী নিজেই। তিনি এই ঘটনাকে ‘ভীষণ স্পর্শকাতর বিষয়’ আখ্যা দিয়ে বলেন, “আমি কোনও মন্তব্য করব না। আগামিকাল এসটিএফ বিবৃতি দেবে। এটা জাতীয় নিরাপত্তার বিষয়।” মুখ্যমন্ত্রীর এই মন্তব্য ঘটনার গুরুত্ব আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।
বৃহস্পতিবার সকালে দুর্গাপুর এক্সপ্রেসওয়ের কাছে বর্ধমানের অভিজাত আবাসন ‘রেনেসাঁ কমপ্লেক্স’-এ গোপন সূত্রে খবর পেয়ে অভিযান চালায় এসটিএফ। সেখান থেকেই হামিদ মণ্ডলকে গ্রেপ্তার করা হয়। জানা গেছে, গ্রেপ্তারের সময় অভিযুক্ত আবাসনের জিমে ব্যায়াম করছিল। স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, মে মাস থেকে হামিদ ওই আবাসনে ভাড়ায় থাকছিল। এসটিএফ সূত্রের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর গতিবিধিতে নিবিড়ভাবে নজর রাখছিল হামিদ। নিউ টাউনে মুখ্যমন্ত্রীর ফ্ল্যাটের অদূরেও সে ফ্ল্যাট ভাড়া নিয়েছিল বলে জানা গেছে।
প্রাথমিক তদন্তে আরও উঠে এসেছে যে, সরকারের যাবতীয় গতিবিধি, বিশেষ করে মুখ্যমন্ত্রীর যাতায়াত, কোন গাড়িতে তিনি যাচ্ছেন, কখন গাড়িতে উঠবেন, গাড়ির চালক কে, কোথায় পার্কিং করা হবে – এই সংক্রান্ত সমস্ত গোপনীয় তথ্য ওই জঙ্গির হাতে ছিল। এই ঘটনা রাজ্যের নিরাপত্তা ব্যবস্থায় বড় প্রশ্ন তুলে দিয়েছে এবং এসটিএফ এই চক্রের সঙ্গে যুক্ত অন্যদের খোঁজে তদন্ত চালাচ্ছে।








