ব্যুরো নিউজ, ১৫ জুন ২০২৬ঃ রাজ্য রাজনীতিতে তৃণমূল কংগ্রেসের অন্দরে ভাঙনের জল্পনা ক্রমশ তীব্র হচ্ছে। এই আবহে সোমবার বিধানসভায় এক বিস্ফোরক দাবি করলেন বিরোধী দলনেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর দাবি, শাসকদলের বিদ্রোহী বা বিক্ষুব্ধ বিধায়কের সংখ্যা এখন বেড়ে ৬৫ জন হয়েছে। এই ঘোষণার কিছুক্ষণ আগেই কলকাতা বন্দরের হেভিওয়েট তৃণমূল বিধায়ক তথা প্রাক্তন মেয়র ফিরহাদ হাকিম ঋতব্রতর ঘরে গিয়ে তাঁর সঙ্গে এক রুদ্ধদ্বার বৈঠক করেন।
এই বৈঠকের পরই ঋতব্রতর এমন মন্তব্য রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। এর আগে ঋতব্রত তৃণমূলের ‘বেসুরো’ বিধায়কের সংখ্যা ৬৪ বলে জানিয়েছিলেন। ফিরহাদের সঙ্গে বৈঠকের ঠিক পরেই এই সংখ্যাবৃদ্ধির ঘোষণা তাৎপর্যপূর্ণ। যদিও নতুন তালিকায় সই করা বিধায়ক খোদ ফিরহাদ হাকিম কি না, তা স্পষ্ট করেননি বিরোধী দলনেতা। ফলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অত্যন্ত বিশ্বস্ত সৈনিক ফিরহাদ হাকিমের রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে বড়সড় প্রশ্নচিহ্ন তৈরি হয়েছে।
ঋতব্রত জানান, আজই আরও এক বিধায়ক তাঁদের বিক্ষুব্ধ শিবিরে যোগ দিয়েছেন এবং দলত্যাগের সিদ্ধান্তের কথা বিধানসভার অধ্যক্ষকেও জানিয়েছেন। সম্প্রতি দিল্লির বুকে তৃণমূলের একঝাঁক বিক্ষুব্ধ সাংসদ এনসিপিআই-তে যোগ দেওয়ার পর জল্পনা শুরু হয়েছিল, এই ৬৫ জন বিধায়কও কি একই পথে হাঁটবেন? তবে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় এই জল্পনা সম্পূর্ণ নস্যাৎ করে দিয়েছেন। তিনি স্পষ্ট জানিয়েছেন, তাঁরা এখনই কোনও নতুন রাজনৈতিক দলে মিশে যাচ্ছেন না। বরং বিধানসভায় সদর্থক ও গঠনমূলক বিরোধিতা চালিয়ে যাবেন। ভবিষ্যতে স্বতন্ত্রভাবেই নিজেদের ভূমিকা পালন করার কথা বলেছেন ঋতব্রত।







