ব্যুরো নিউজ ১৪ অক্টোবর ২০২৬: প্রথম বিমসটেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠক উপলক্ষে নয়াদিল্লিতে আয়োজিত নৈশভোজে আমন্ত্রণ জানানো হয় পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীকে।
১৩ অক্টোবর ২০২৬, মঙ্গলবার, ভারত মণ্ডপম কনভেনশন সেন্টারে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। নৈশভোজের আয়োজক ছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ।
বিমসটেকের সাতটি সদস্য রাষ্ট্র—বাংলাদেশ, ভারত, ভুটান, মায়ানমার, নেপাল, শ্রীলঙ্কা ও থাইল্যান্ডের প্রতিনিধিদের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও পারস্পরিক সহযোগিতা জোরদার করার বিষয়টি বিশেষ গুরুত্ব পায়।
সন্ত্রাসবাদ, আন্তঃদেশীয় সংগঠিত অপরাধ, মাদক পাচার, মানব পাচার, উগ্রপন্থা, অবৈধ আর্থিক লেনদেন এবং সাইবার হুমকির মতো একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।
আঞ্চলিক নিরাপত্তার ক্ষেত্রে পশ্চিমবঙ্গের ভৌগোলিক অবস্থান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
বাংলাদেশের সঙ্গে দীর্ঘ আন্তর্জাতিক সীমান্ত এবং নেপাল ও ভুটানের নিকটবর্তী অবস্থানের কারণে সীমান্ত নিরাপত্তা, পাচার রোধ এবং আন্তঃদেশীয় অপরাধ দমনে রাজ্যের বিশেষ ভূমিকা রয়েছে।
পাশাপাশি, বঙ্গোপসাগর-সংলগ্ন অবস্থানের কারণে সামুদ্রিক নিরাপত্তা ও আঞ্চলিক সহযোগিতার ক্ষেত্রেও পশ্চিমবঙ্গের গুরুত্ব যথেষ্ট।
এই প্রেক্ষাপটে বিমসটেকের মতো আঞ্চলিক মঞ্চে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রীর আমন্ত্রণকে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।
জাতীয় নিরাপত্তার অগ্রাধিকার এবং সীমান্তবর্তী রাজ্যগুলির বাস্তব পরিস্থিতির মধ্যে সমন্বয় সাধনের ক্ষেত্রেও এই ধরনের বৈঠক তাৎপর্যপূর্ণ।
প্রথম বিমসটেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠক আঞ্চলিক নিরাপত্তা সহযোগিতাকে আরও শক্তিশালী করার ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।
সদস্য রাষ্ট্রগুলির মধ্যে তথ্য আদানপ্রদান, আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলির সমন্বয় এবং অপরাধ দমনে যৌথ উদ্যোগের মাধ্যমে বঙ্গোপসাগরীয় অঞ্চলে শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে।
বৈঠক শেষে গৃহীত হয় দিল্লি ঘোষণা, যেখানে আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও সহযোগিতা বৃদ্ধির অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করা হয়েছে।








